কটিয়াদীতে বসতঘরেই চলত ইয়াবা বেচাকেনা, ১১০ পিস ইয়াবাসহ পিতা-পুত্র গ্রেপ্তার

সাব্বির হোসেন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • ১১:০২ পিএম | ১২ জুন ২০২৬ | শুক্রবার
কটিয়াদীতে বসতঘরেই চলত ইয়াবা বেচাকেনা, ১১০ পিস ইয়াবাসহ পিতা-পুত্র গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় বসতঘরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত কথিত মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১১০ পিস ইয়াবাসহ এক পিতা ও তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের অভিযোগের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের মধ্যপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ইমরান ও তার ছেলে হাসান মিয়া। তাদের কাছ থেকে ১১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, অভিযুক্তদের বসতঘরটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক লেনদেনের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘরের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি একটি ছোট জানালার মাধ্যমে গোপনে ক্রেতাদের কাছে ইয়াবা সরবরাহ করা হতো। এতে এলাকায় মাদকসেবী ও ক্রেতাদের নিয়মিত আনাগোনা লক্ষ্য করা যেত।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এ ধরনের কর্মকাণ্ড স্থানীয় যুবসমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দিচ্ছিল এবং সামাজিক পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল। একাধিকবার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে।

কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কটিয়াদীতে বসতঘরেই চলত ইয়াবা বেচাকেনা, ১১০ পিস ইয়াবাসহ পিতা-পুত্র গ্রেপ্তার

১১:০২ পিএম | ১২ জুন ২০২৬ | শুক্রবার

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় বসতঘরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত কথিত মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১১০ পিস ইয়াবাসহ এক পিতা ও তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের অভিযোগের পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

শুক্রবার (১৩ জুন) দুপুরে উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের মধ্যপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ইমরান ও তার ছেলে হাসান মিয়া। তাদের কাছ থেকে ১১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, অভিযুক্তদের বসতঘরটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক লেনদেনের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। অভিযোগ রয়েছে, ঘরের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি একটি ছোট জানালার মাধ্যমে গোপনে ক্রেতাদের কাছে ইয়াবা সরবরাহ করা হতো। এতে এলাকায় মাদকসেবী ও ক্রেতাদের নিয়মিত আনাগোনা লক্ষ্য করা যেত।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এ ধরনের কর্মকাণ্ড স্থানীয় যুবসমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দিচ্ছিল এবং সামাজিক পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল। একাধিকবার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করে।

কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।