পাকুন্দিয়ায় চার ফার্মেসিকে জরিমানা

সাব্বির হোসেন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • ২:০৪ এএম | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | মঙ্গলবার
পাকুন্দিয়ায় চার ফার্মেসিকে জরিমানা

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পৌরসদর বাজারে অভিযান চালিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল মজুতের দায়ে চারটি ফার্মেসিকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পৌরসদর বাজারে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন ফার্মেসিতে ওষুধের মেয়াদ, সংরক্ষণব্যবস্থা ও বিক্রয়সংক্রান্ত বিষয় যাচাই করা হয়।

এ সময় জেলা ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক মেহেদী হাসান, পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তাওহিদুল ইসলাম এবং পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানকালে কয়েকটি ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল মজুতের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এসব অনিয়মের দায়ে একতা ফার্মেসিকে ৩ হাজার, মোস্তাফী ড্রাগ হাউজকে ১ হাজার ৫০০,

মদিনা ফার্মেসিকে ৩ হাজার ৫০০ এবং সততা ফার্মেসিকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সব মিলিয়ে চারটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে।

অভিযানে ফার্মেসিগুলোতে সংরক্ষিত বিভিন্ন ধরনের ওষুধ পরীক্ষা করা হয়।

পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুত বা বিক্রি এবং অনুমোদনবিহীন ও নিয়মবহির্ভূত ওষুধ সংরক্ষণ না করতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।

ইউএনও রূপম দাস বলেন, “অভিযানে কয়েকটি ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল পাওয়া গেছে।

এসব অনিয়মের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

কেউ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুত বা বিক্রি করলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকুন্দিয়ায় চার ফার্মেসিকে জরিমানা

২:০৪ এএম | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | মঙ্গলবার

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পৌরসদর বাজারে অভিযান চালিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল মজুতের দায়ে চারটি ফার্মেসিকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পৌরসদর বাজারে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন ফার্মেসিতে ওষুধের মেয়াদ, সংরক্ষণব্যবস্থা ও বিক্রয়সংক্রান্ত বিষয় যাচাই করা হয়।

এ সময় জেলা ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক মেহেদী হাসান, পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. তাওহিদুল ইসলাম এবং পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানকালে কয়েকটি ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল মজুতের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এসব অনিয়মের দায়ে একতা ফার্মেসিকে ৩ হাজার, মোস্তাফী ড্রাগ হাউজকে ১ হাজার ৫০০,

মদিনা ফার্মেসিকে ৩ হাজার ৫০০ এবং সততা ফার্মেসিকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সব মিলিয়ে চারটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে।

অভিযানে ফার্মেসিগুলোতে সংরক্ষিত বিভিন্ন ধরনের ওষুধ পরীক্ষা করা হয়।

পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুত বা বিক্রি এবং অনুমোদনবিহীন ও নিয়মবহির্ভূত ওষুধ সংরক্ষণ না করতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।

ইউএনও রূপম দাস বলেন, “অভিযানে কয়েকটি ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল পাওয়া গেছে।

এসব অনিয়মের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।

কেউ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুত বা বিক্রি করলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।