চাঁদাবাজি নিয়ে ডাকসুর নেতারা ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

ঢাকা প্রেস ডেস্ক:
  • ২:২৮ এএম | ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ | সোমবার
চাঁদাবাজি নিয়ে ডাকসুর নেতারা ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চাঁদাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ছাত্ররাজনীতি। অভিযোগ–পাল্টা অভিযোগে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)–এর নেতারা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। বিষয়টি নিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের উদ্যোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ডাকসু নেতাদের দাবি, সম্প্রতি ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় কিছু ব্যক্তি শিক্ষার্থীদের নাম ব্যবহার করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে। এতে শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তারা অবিলম্বে দোষীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানান।

অন্যদিকে ছাত্রদলের নেতারা এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের বক্তব্য, নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ ছাড়াই ছাত্রদলের নাম জড়ানো হচ্ছে। বরং প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে এসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে নিরপেক্ষভাবে অভিযোগ যাচাই, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণ এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ক্যাম্পাসে চাঁদাবাজির মতো অভিযোগ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশের জন্য গুরুতর হুমকি। তাই দলীয় অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে স্বচ্ছ তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপই এই সংকট নিরসনের একমাত্র পথ।

নিউজটি শেয়ার করুন

চাঁদাবাজি নিয়ে ডাকসুর নেতারা ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

২:২৮ এএম | ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ | সোমবার

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চাঁদাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ছাত্ররাজনীতি। অভিযোগ–পাল্টা অভিযোগে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)–এর নেতারা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। বিষয়টি নিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের উদ্যোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ডাকসু নেতাদের দাবি, সম্প্রতি ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় কিছু ব্যক্তি শিক্ষার্থীদের নাম ব্যবহার করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে। এতে শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তারা অবিলম্বে দোষীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানান।

অন্যদিকে ছাত্রদলের নেতারা এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের বক্তব্য, নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ ছাড়াই ছাত্রদলের নাম জড়ানো হচ্ছে। বরং প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতেই উদ্দেশ্যমূলকভাবে এসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে নিরপেক্ষভাবে অভিযোগ যাচাই, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য গ্রহণ এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ক্যাম্পাসে চাঁদাবাজির মতো অভিযোগ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশের জন্য গুরুতর হুমকি। তাই দলীয় অবস্থানের ঊর্ধ্বে উঠে স্বচ্ছ তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপই এই সংকট নিরসনের একমাত্র পথ।