চীনে যাচ্ছে বাংলাদেশের বাজারের ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ

Jesmin Sultana Mala
  • ৫:১৯ পিএম | ০৪ অক্টোবর ২০২৫ | শনিবার
চীনে যাচ্ছে বাংলাদেশের বাজারের ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ

প্রতিদিন রাজধানীর কাওরান বাজারে হাজার হাজার কেজি মাছ কাটা হয়।

আর এই মাছ কাটার পর যে আঁশগুলো ফেলে দেওয়া হতো একসময়, আজ সেগুলোই হয়ে উঠেছে টাকার উৎস।

একসময় এই মাছের আঁশ আবর্জনা মনে করা হতো, আজ সেগুলোই এনে দিচ্ছে জীবিকার নতুন দিগন্ত।

অনেকেই এখন মাছ কাটার পর আঁশ সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

সংগ্রেহের পর এভাবেই বাজারের কোণায় বা বাড়ির উঠোনে রোদে শুকিয়ে নেওয়া হয় মাছের আঁশ।

প্রতিদিন কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয় এই শুকনো আঁশ।

এই ব্যাক্তি বলেন, মাছ কাটার পর আঁশগুলো আলাদা করে রাখি, রোদে শুকাই।

এখন এটা দিয়েই সংসার চলে।”

আগে এই আঁশ আরো বেশী দামে বিক্রয় হলেও এখন দাম কিছুটা কমেছে ।

তবে এখন চীন থেকে ক্রেতা আসে, পাইকাররা কিনে নিয়ে যায়।

ভালোই আয় হয় এই আঁশ বিক্রি করে।

তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ থেকে এসব আঁশ রপ্তানি হয় চীনে।

সেখানে শিল্প কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করা হয় নানা প্রসাধনী যেমন মুখের ক্রিম, লিপস্টিক, এমনকি পোশাকের ঝিকিমিকি চুমকিও।

এছাড়া মাছের আঁশে থাকা কোলাজেন অনেক মূল্যবান উপাদান, যা কসমেটিক্স ও ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

বাংলাদেশের বাজারে যে মাছের আঁশ একসময় অপচয় হতো, এখন সেই আঁশই দেশের অর্থনীতিতে যোগ করছে নতুন মাত্রা।

ফেলে দেওয়া জিনিসও যদি সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায় তবে সেটাই হয়ে উঠতে পারে রপ্তানির মূল্যবান উৎস।

নিউজটি শেয়ার করুন

চীনে যাচ্ছে বাংলাদেশের বাজারের ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ

৫:১৯ পিএম | ০৪ অক্টোবর ২০২৫ | শনিবার

প্রতিদিন রাজধানীর কাওরান বাজারে হাজার হাজার কেজি মাছ কাটা হয়।

আর এই মাছ কাটার পর যে আঁশগুলো ফেলে দেওয়া হতো একসময়, আজ সেগুলোই হয়ে উঠেছে টাকার উৎস।

একসময় এই মাছের আঁশ আবর্জনা মনে করা হতো, আজ সেগুলোই এনে দিচ্ছে জীবিকার নতুন দিগন্ত।

অনেকেই এখন মাছ কাটার পর আঁশ সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

সংগ্রেহের পর এভাবেই বাজারের কোণায় বা বাড়ির উঠোনে রোদে শুকিয়ে নেওয়া হয় মাছের আঁশ।

প্রতিদিন কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয় এই শুকনো আঁশ।

এই ব্যাক্তি বলেন, মাছ কাটার পর আঁশগুলো আলাদা করে রাখি, রোদে শুকাই।

এখন এটা দিয়েই সংসার চলে।”

আগে এই আঁশ আরো বেশী দামে বিক্রয় হলেও এখন দাম কিছুটা কমেছে ।

তবে এখন চীন থেকে ক্রেতা আসে, পাইকাররা কিনে নিয়ে যায়।

ভালোই আয় হয় এই আঁশ বিক্রি করে।

তিনি আরো জানান, বাংলাদেশ থেকে এসব আঁশ রপ্তানি হয় চীনে।

সেখানে শিল্প কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করা হয় নানা প্রসাধনী যেমন মুখের ক্রিম, লিপস্টিক, এমনকি পোশাকের ঝিকিমিকি চুমকিও।

এছাড়া মাছের আঁশে থাকা কোলাজেন অনেক মূল্যবান উপাদান, যা কসমেটিক্স ও ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

বাংলাদেশের বাজারে যে মাছের আঁশ একসময় অপচয় হতো, এখন সেই আঁশই দেশের অর্থনীতিতে যোগ করছে নতুন মাত্রা।

ফেলে দেওয়া জিনিসও যদি সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায় তবে সেটাই হয়ে উঠতে পারে রপ্তানির মূল্যবান উৎস।