নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছে ইসি

- ১২:০৯ পিএম | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | বুধবার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের মঙ্গলবার সই করা চিঠিতে সব জেলার নির্বাচন কর্মকর্তাকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় প্যানেল আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে প্রস্তুত করতে হবে। এজন্য সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শ্রেণি বা গ্রেডভিত্তিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর তালিকা সংগ্রহ করতে হবে। তবে চতুর্থ শ্রেণির (জাতীয় বেতন স্কেল ১৭-২০ গ্রেড) কোনো কর্মচারীকে প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। তবে প্রিজাইডিং অফিসারদের সহায়ক হিসেবে আলাদা তালিকা তৈরি করা যেতে পারে।
ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্যানেল তৈরির সময় সততা, দক্ষতা, সাহস, নিরপেক্ষতা, পদমর্যাদা, জ্যেষ্ঠতা ও কর্মদক্ষতা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। বিতর্কিত কর্মকর্তা-কর্মচারী বা কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্যকে প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। প্রয়োজনে বয়স, শারীরিক ও মানসিক অবস্থা সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করে তালিকায় উল্লেখ করতে হবে।
নারী ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক নারী সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এছাড়া নির্ধারিত সংখ্যার পাশাপাশি আরও ১০ শতাংশ অতিরিক্ত কর্মকর্তার নাম প্যানেলে রাখা হবে। ভোটগ্রহণের বাইরেও রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়, নিয়ন্ত্রণকক্ষ, নির্বাচনী তথ্য ও ফলাফল সংগ্রহ কেন্দ্র, মাঠ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণসহ অন্যান্য কাজের জন্য আলাদা একটি প্যানেল তৈরি করতে হবে।
প্রিজাইডিং অফিসারের ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা, ক্ষেত্রবিশেষে দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত কলেজ-মাদরাসার শিক্ষক, রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংক-বীমার কর্মকর্তা এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।






















