পাকুন্দিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে তিনজনের জেল-জরিমানা, কারাগারে প্রেরণ

সাব্বির হোসেন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • ৩:২৮ এএম | ১২ জুন ২০২৬ | শুক্রবার
পাকুন্দিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে তিনজনের জেল-জরিমানা, কারাগারে প্রেরণ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে তিন মাদকসেবীকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত জাহানের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় তাদের বিরুদ্ধে শাস্তির আদেশ দেওয়া হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার ষাইটকাহন গ্রামের মাসুদ মিয়া, শৈলজানী গ্রামের শাহিন মিয়া এবং ঘাগড়া গ্রামের হৃদয়। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মাসুদ মিয়াকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শাহিন মিয়া ও হৃদয়কে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক সেবন, বিক্রয় ও সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত জাহান বলেন, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান চলবে।

এদিকে পাকুন্দিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আরিফুর রহমান জানান, আদালতের রায় কার্যকরের জন্য সাজাপ্রাপ্তদের কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, নিয়মিত অভিযান ও কঠোর শাস্তি মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে সহায়ক হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাকুন্দিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে তিনজনের জেল-জরিমানা, কারাগারে প্রেরণ

৩:২৮ এএম | ১২ জুন ২০২৬ | শুক্রবার

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে তিন মাদকসেবীকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত জাহানের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় তাদের বিরুদ্ধে শাস্তির আদেশ দেওয়া হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার ষাইটকাহন গ্রামের মাসুদ মিয়া, শৈলজানী গ্রামের শাহিন মিয়া এবং ঘাগড়া গ্রামের হৃদয়। আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মাসুদ মিয়াকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শাহিন মিয়া ও হৃদয়কে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক সেবন, বিক্রয় ও সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত জাহান বলেন, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান চলবে।

এদিকে পাকুন্দিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আরিফুর রহমান জানান, আদালতের রায় কার্যকরের জন্য সাজাপ্রাপ্তদের কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদক নির্মূলে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, নিয়মিত অভিযান ও কঠোর শাস্তি মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে সহায়ক হবে।