যুদ্ধে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের

- ৩:৫৯ পিএম | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | সোমবার
বাংলাদেশের ক্রিকেট এবং রাজনীতিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এবং জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান—দু’জনের ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে দেশের ক্রীড়াঙ্গনসহ অনলাইন জগৎ।
রোববার ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ তার ফেসবুকে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাস দেন।
সেখানে তিনি লেখেন— “একজনকে পুনর্বাসন না করায় সহস্র গালি দিয়েছেন আপনারা আমাকে।
বাট আই ওয়াজ রাইট।
এন্ড অব দ্য ডিসকাশন।
” যদিও নাম উল্লেখ করেননি তিনি, তবে অনেকেই মনে করছেন—ইঙ্গিতটি ছিল সাকিব আল হাসানের দিকে।
এর কারণও স্পষ্ট।
এর মাত্র এক ঘণ্টা আগে, রাত ৯টার দিকে সাকিব আল হাসান তার ফেসবুকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তোলা একটি ছবি পোস্ট করেন।
ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন— “শুভ জন্মদিন, আপা।”
আসিফ মাহমুদের স্ট্যাটাস যে সাকিব বুঝতে পেরেছেন, তা প্রমাণিত হয় পরে রাত ১১টা ২০ মিনিটে তার দেওয়া আরেকটি স্ট্যাটাসে।
সেখানে সাকিব লিখেছেন— “যাক শেষমেশ কেউ একজন স্বীকার করে নিলেন যে তার জন্য আমার আর বাংলাদেশের জার্সি গায়ে দেয়া হলো না, বাংলাদেশের জন্য খেলতে পারলাম না!”
এই বার্তায় তিনি আরও লিখেছেন— “ফিরব হয়তো কোনো দিন আপন মাতৃভূমিতে, ভালোবাসি বাংলাদেশ।”
উল্লেখ্য, গত বছর ৫ আগস্টের ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সময় সাকিব আল হাসান ছিলেন কানাডায়।
আওয়ামী লীগের হয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।
তবে অভ্যুত্থানের পর থেকে তার নামে মামলা ও অভিযোগের কারণে আর দেশে ফেরা হয়নি।
গত বছরের অক্টোবরে তিনি দেশে ফিরে শেষবারের মতো জাতীয় দলের হয়ে খেলতে চাইলেও সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যেতে হয় তাকে।
ফেসবুকে এই বাক্যযুদ্ধকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা জল্পনা–কল্পনা।
ক্রীড়াঙ্গনের অনেকেই বলছেন—ব্যক্তিগত মতবিরোধ হোক বা রাজনৈতিক যোগসূত্র, তাতে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের।






















