সড়কে চাঁদাবাজির সুযোগ নেই: পানি সম্পদ মন্ত্রী

Mohammad Jahid Hossain
  • ৩:৫২ পিএম | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শুক্রবার
সড়কে চাঁদাবাজির সুযোগ নেই: পানি সম্পদ মন্ত্রী

সারাদেশে সড়কে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউস-এ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার সড়কে চাঁদাবাজি রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং কোথাও কোনো অনিয়ম বা জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের সুযোগ দেওয়া হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি কঠোরভাবে নজরদারিতে রাখছে বলেও জানান তিনি।

লক্ষ্মীপুরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় প্রকল্প হাতে নেওয়ার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের আওতায় ভুলুয়া নদী খনন এবং রহমতখালী খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা গেলে লক্ষ্মীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।

এ্যানি চৌধুরী আরও জানান, মেঘনা নদী ও রহমতখালী খালের পাড়ে ভাঙনরোধে প্রি-ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হচ্ছে। দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি ১৮০ দিনের পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়ন করা হবে। খুব শিগগিরই খনন কার্যক্রম শুরু হবে এবং লক্ষ্মীপুরও এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

সরকার উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা, ভাঙন ও অবকাঠামোগত সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

সড়কে চাঁদাবাজির সুযোগ নেই: পানি সম্পদ মন্ত্রী

৩:৫২ পিএম | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | শুক্রবার

সারাদেশে সড়কে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউস-এ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকার সড়কে চাঁদাবাজি রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং কোথাও কোনো অনিয়ম বা জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের সুযোগ দেওয়া হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি কঠোরভাবে নজরদারিতে রাখছে বলেও জানান তিনি।

লক্ষ্মীপুরের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় প্রকল্প হাতে নেওয়ার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের আওতায় ভুলুয়া নদী খনন এবং রহমতখালী খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা গেলে লক্ষ্মীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।

এ্যানি চৌধুরী আরও জানান, মেঘনা নদী ও রহমতখালী খালের পাড়ে ভাঙনরোধে প্রি-ফিজিবিলিটি স্টাডি করা হচ্ছে। দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি ১৮০ দিনের পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়ন করা হবে। খুব শিগগিরই খনন কার্যক্রম শুরু হবে এবং লক্ষ্মীপুরও এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

সরকার উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা, ভাঙন ও অবকাঠামোগত সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।