জ্যামাইকার উপকূলে বিপর্যয়ের আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ৫:২৫ পিএম | ২৮ অক্টোবর ২০২৫ | মঙ্গলবার
জ্যামাইকার উপকূলে বিপর্যয়ের আশঙ্কা

আঘাত হানতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়, যেসব স্থাপনা ধ্বংস হয় যেতে পারে

তবে কি জ্যামাইকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘মেলিসা’র মুখোমুখি হতে চলেছে ?

জানা গেছে ক্যাটেগরি ৫-এ রূপান্তরিত এই ঝড়ের বাতাসের গতি ঘণ্টায় ১৭৫ মাইল,

সঙ্গে আরও শক্তিশালী ঝড়ো বাতাস, যা এটিকে এ বছর বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড়ে পরিণত করেছে।

মেলিসার এই অভূতপূর্ব তীব্রতা দ্বীপাঞ্চলের পূর্বাভাসকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন,

এটি এত দ্রুত শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে, আবহাওয়ার সাধারণ সতর্কবার্তা ও প্রস্তুতি কার্যক্রমও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে গেছে।

জ্যামাইকা গত এক দশকের বেশি সময় ধরে কোনো সরাসরি ঘূর্ণিঝড়ের হারিকেন মুখোমুখি হয়নি।

দ্বীপটির ইতিহাসে কখনো ক্যাটেগরি ৪ এর চেয়ে শক্তিশালী ঝড় সরাসরি আঘাত করেনি।

মেলিসার আঘাতের আগে, দ্বীপাঞ্চলীয় সংবেদনশীল উপকূলীয় এলাকায় বাধ্যতামূলক ঘরবাড়ি ছাড়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার সতর্ক করছে, মেলিসা প্রচণ্ড ভূমিধস, ভয়াবহ প্লাবন এবং এমন ঝড়ো বাতাসের ঝুঁকি তৈরি করেছে যা সব ধরনের স্থাপনা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে ফেলতে পারে।

ইতিমধ্যেই হাইতি ও জ্যামাইকায় তিনজন করে এবং ডোমিনিকান রিপাবলিকে একজনের প্রাণহানি ঘটেছে।

এই মুহূর্তে জ্যামাইকার সরকার ও উদ্ধারকর্মীরা জরুরি প্রস্তুতি কার্যক্রমে নিয়োজিত,

এবং নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে উপকূলীয় এলাকা থেকে সরে গিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেয়ার সতর্কতা দেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্যামাইকার উপকূলে বিপর্যয়ের আশঙ্কা

৫:২৫ পিএম | ২৮ অক্টোবর ২০২৫ | মঙ্গলবার

আঘাত হানতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়, যেসব স্থাপনা ধ্বংস হয় যেতে পারে

তবে কি জ্যামাইকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘মেলিসা’র মুখোমুখি হতে চলেছে ?

জানা গেছে ক্যাটেগরি ৫-এ রূপান্তরিত এই ঝড়ের বাতাসের গতি ঘণ্টায় ১৭৫ মাইল,

সঙ্গে আরও শক্তিশালী ঝড়ো বাতাস, যা এটিকে এ বছর বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড়ে পরিণত করেছে।

মেলিসার এই অভূতপূর্ব তীব্রতা দ্বীপাঞ্চলের পূর্বাভাসকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন,

এটি এত দ্রুত শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে, আবহাওয়ার সাধারণ সতর্কবার্তা ও প্রস্তুতি কার্যক্রমও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে গেছে।

জ্যামাইকা গত এক দশকের বেশি সময় ধরে কোনো সরাসরি ঘূর্ণিঝড়ের হারিকেন মুখোমুখি হয়নি।

দ্বীপটির ইতিহাসে কখনো ক্যাটেগরি ৪ এর চেয়ে শক্তিশালী ঝড় সরাসরি আঘাত করেনি।

মেলিসার আঘাতের আগে, দ্বীপাঞ্চলীয় সংবেদনশীল উপকূলীয় এলাকায় বাধ্যতামূলক ঘরবাড়ি ছাড়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার সতর্ক করছে, মেলিসা প্রচণ্ড ভূমিধস, ভয়াবহ প্লাবন এবং এমন ঝড়ো বাতাসের ঝুঁকি তৈরি করেছে যা সব ধরনের স্থাপনা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে ফেলতে পারে।

ইতিমধ্যেই হাইতি ও জ্যামাইকায় তিনজন করে এবং ডোমিনিকান রিপাবলিকে একজনের প্রাণহানি ঘটেছে।

এই মুহূর্তে জ্যামাইকার সরকার ও উদ্ধারকর্মীরা জরুরি প্রস্তুতি কার্যক্রমে নিয়োজিত,

এবং নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে থাকার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে উপকূলীয় এলাকা থেকে সরে গিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেয়ার সতর্কতা দেয়া হয়েছে।