দুর্গাপূজার ছুটি শুরুর আগেই ভ্রমণপিপাসুদের ঢল নেমেছে কক্সবাজারে

- ১:৫৪ পিএম | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | শনিবার
দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সমুদ্র সৈকতে প্রতিদিনই বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা।
আগামী ১ অক্টোবর মহানবমী উপলক্ষে সরকারি নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
পরদিন ২ অক্টোবর বিজয়া দশমী, এরপর টানা দু’দিন সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সরকারি কর্মচারীরা পাচ্ছেন চার দিনের টানা অবকাশ।
এই ছুটি ঘিরেই সমুদ্র নগরীতে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়। শুক্রবারের সাপ্তাহিক ছুটি উপলক্ষে কলাতলী, লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্টে ভ্রমণপিপাসুদের পদচারণায় মুখরিত ছিল কক্সবাজার।
কক্সবাজার দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন স্পট। সুযোগ পেলেই এখানে চলে আসে পর্যটকরা। পরিবারের সবাই মিলে আনন্দ করার জন্য।
হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতি জানিয়েছে, ইতোমধ্যে প্রায় সব হোটেলেই অগ্রিম বুকিং সম্পন্ন হয়েছে।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়নে হোটেল কর্তৃপক্ষ সতর্ক রয়েছে।
তবে এ সময়ে সমুদ্র বেশ উত্তাল। সাগরে সংকেত জারি থাকায় সৈকতে গোসলের ক্ষেত্রে পর্যটকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সী-সেইফ লাইফ গার্ড। মাঠ কর্মকর্তারা জানান,
“সমুদ্রে গুপ্তখাল তৈরি হয়েছে। লাল পতাকা টাঙানো স্থানে নামতে হলে অবশ্যই লাইফগার্ডদের পরামর্শ নিতে হবে। অতিউৎসাহে কেউ ঝুঁকি নেবেন না।
পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ নজরদারির কথা জানিয়েছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ।
তিনি বলেন—“চলতি পর্যটন মৌসুমে পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ তৎপর রয়েছে।
কেউ যাতে কোনো ভোগান্তিতে না পড়েন, সে দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
এদিকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাড়তি যাত্রীচাপ সামাল দিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে ‘পূজা স্পেশাল’ নামে চালু করেছে ৪ জোড়া বিশেষ ট্রেন।
এর মধ্যে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-কক্সবাজার রুটে থাকবে ৩ জোড়া এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলবে ১ জোড়া ট্রেন।
ফলে টানা ছুটিকে ঘিরে দেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার হয়ে উঠেছে ভ্রমণপিপাসুদের মিলনমেলা। তবে আনন্দযাত্রার পাশাপাশি সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজন সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা।






















