বাংলাদেশিদের ভিসা দিচ্ছে না যেসব দেশ

Jesmin Sultana Mala
  • ১০:১৯ পিএম | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | মঙ্গলবার
বাংলাদেশিদের ভিসা দিচ্ছে না যেসব দেশ

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য— “টেকসই উন্নয়নে পর্যটন।

কিন্তু বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যখন পর্যটন খাতকে ঘিরে নানা ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তখন বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য বিদেশ ভ্রমণ হয়ে উঠছে এক কঠিন বাস্তবতা।

ভিসা জটিলতা থেকে শুরু করে নিরাপত্তাহীনতা, হোটেল ভাড়া এবং নানা শর্ত—সব মিলিয়ে ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে তাদের ভ্রমণ সুযোগ।

বিদেশ ভ্রমণের স্বপ্ন এখন যেন দুঃস্বপ্নে পরিণত হচ্ছে সবুজ পাসপোর্টধারীদের জন্য।

ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া কঠিন হওয়ায় অনেকেই পড়ছেন বিড়ম্বনায়।

আবার যাদের ভাগ্যে ভিসা মেলে, বিমানবন্দরেই ফেরত পাঠানো হচ্ছে সন্দেহভাজন মনে করে।

বিশেষত মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা পাওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে।

দুবাই, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান ও কাতারে এখন ভিসা সম্পূর্ণ বন্ধ।

ভারত আগস্ট ২০২৪ থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা দিচ্ছে না।

ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়া দিয়েছে কঠোর শর্ত।

চীনে ভিসা পাওয়া গেলেও বিমানবন্দরে যাচাই-বাছাইয়ের নামে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে অনেক যাত্রীকে।

থাইল্যান্ডে সময় লাগছে দীর্ঘদিন, আর মালয়েশিয়াতেও ইমিগ্রেশনে সামান্য সন্দেহ হলেই ফেরত পাঠানো হচ্ছে পর্যটক।

জুলাই আন্দোলনের পর বাংলাদেশিদের ভিসা পাওয়ার জটিলতা আরও প্রকট হয়েছে।

বাড়তি কাগজপত্র, দীর্ঘসূত্রিতা আর অনাস্থার কারণে প্রকৃত পর্যটকরাও বিপাকে পড়ছেন।”

দেশের ভেতরেও পর্যটন কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছাতে পারেনি।

নিরাপত্তাহীনতা, বিনোদনের অভাব, আর হোটেল ভাড়ার বাড়তি চাপ—সব মিলিয়ে ভ্রমণ এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ব পর্যটন দিবসে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু বৈদেশিক ভ্রমণ নয়, দেশীয় পর্যটন অবকাঠামোতেও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

তাহলেই কেবল ভ্রমণপ্রেমীদের হতাশা কমবে, আর পর্যটন খাত হবে টেকসই উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার।

স্বপ্নের বিশ্বভ্রমণ ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য।

নানা প্রতিবন্ধকতা দূর করে সহজলভ্য ভ্রমণ সুযোগ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশিদের ভিসা দিচ্ছে না যেসব দেশ

১০:১৯ পিএম | ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | মঙ্গলবার

আজ বিশ্ব পর্যটন দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য— “টেকসই উন্নয়নে পর্যটন।

কিন্তু বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যখন পর্যটন খাতকে ঘিরে নানা ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তখন বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য বিদেশ ভ্রমণ হয়ে উঠছে এক কঠিন বাস্তবতা।

ভিসা জটিলতা থেকে শুরু করে নিরাপত্তাহীনতা, হোটেল ভাড়া এবং নানা শর্ত—সব মিলিয়ে ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে তাদের ভ্রমণ সুযোগ।

বিদেশ ভ্রমণের স্বপ্ন এখন যেন দুঃস্বপ্নে পরিণত হচ্ছে সবুজ পাসপোর্টধারীদের জন্য।

ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া কঠিন হওয়ায় অনেকেই পড়ছেন বিড়ম্বনায়।

আবার যাদের ভাগ্যে ভিসা মেলে, বিমানবন্দরেই ফেরত পাঠানো হচ্ছে সন্দেহভাজন মনে করে।

বিশেষত মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা পাওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে।

দুবাই, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান ও কাতারে এখন ভিসা সম্পূর্ণ বন্ধ।

ভারত আগস্ট ২০২৪ থেকে ট্যুরিস্ট ভিসা দিচ্ছে না।

ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়া দিয়েছে কঠোর শর্ত।

চীনে ভিসা পাওয়া গেলেও বিমানবন্দরে যাচাই-বাছাইয়ের নামে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে অনেক যাত্রীকে।

থাইল্যান্ডে সময় লাগছে দীর্ঘদিন, আর মালয়েশিয়াতেও ইমিগ্রেশনে সামান্য সন্দেহ হলেই ফেরত পাঠানো হচ্ছে পর্যটক।

জুলাই আন্দোলনের পর বাংলাদেশিদের ভিসা পাওয়ার জটিলতা আরও প্রকট হয়েছে।

বাড়তি কাগজপত্র, দীর্ঘসূত্রিতা আর অনাস্থার কারণে প্রকৃত পর্যটকরাও বিপাকে পড়ছেন।”

দেশের ভেতরেও পর্যটন কাঙ্ক্ষিত মানে পৌঁছাতে পারেনি।

নিরাপত্তাহীনতা, বিনোদনের অভাব, আর হোটেল ভাড়ার বাড়তি চাপ—সব মিলিয়ে ভ্রমণ এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ব পর্যটন দিবসে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু বৈদেশিক ভ্রমণ নয়, দেশীয় পর্যটন অবকাঠামোতেও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

তাহলেই কেবল ভ্রমণপ্রেমীদের হতাশা কমবে, আর পর্যটন খাত হবে টেকসই উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার।

স্বপ্নের বিশ্বভ্রমণ ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য।

নানা প্রতিবন্ধকতা দূর করে সহজলভ্য ভ্রমণ সুযোগ তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।