সতর্কতা জারি: পাহাড় ধসের শঙ্কা, নদীবন্দরে সংকেত!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ১:৫৫ পিএম | ২৭ মে ২০২৫ | মঙ্গলবার
সতর্কতা জারি: পাহাড় ধসের শঙ্কা, নদীবন্দরে সংকেত!

দেশের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টিপাত এবং বজ্রসহ বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কার পাশাপাশি নদীবন্দরগুলোতেও সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৭শে মে) আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের আট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো এবং হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এর সাথে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের খবর হলো, সক্রিয় সঞ্চালনশীল মেঘমালার কারণে আগামীকাল বুধবার সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।

এই অতিভারী বৃষ্টির ফলে চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং কক্সবাজার জেলার পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের তীব্র আশঙ্কা রয়েছে। যারা এই পাহাড়ি অঞ্চলের আশেপাশে বসবাস করছেন, তাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন।

সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এই লঘুচাপটি শক্তি সঞ্চয় করে পরবর্তীতে নিম্নচাপেও পরিণত হওয়ার আভাস রয়েছে, যা আরও ভারী বৃষ্টিপাত ঘটাতে পারে।

ইতিমধ্যেই, খুলনা, বরগুনা এবং ভোলা অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। যারা নদীপথে যাতায়াত করছেন, তাদের সাবধানতা অবলম্বন করতে এবং আবহাওয়ার সর্বশেষ তথ্য জেনে যাত্রা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সতর্কতা জারি: পাহাড় ধসের শঙ্কা, নদীবন্দরে সংকেত!

১:৫৫ পিএম | ২৭ মে ২০২৫ | মঙ্গলবার

দেশের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টিপাত এবং বজ্রসহ বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কার পাশাপাশি নদীবন্দরগুলোতেও সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৭শে মে) আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের আট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো এবং হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এর সাথে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের খবর হলো, সক্রিয় সঞ্চালনশীল মেঘমালার কারণে আগামীকাল বুধবার সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।

এই অতিভারী বৃষ্টির ফলে চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং কক্সবাজার জেলার পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের তীব্র আশঙ্কা রয়েছে। যারা এই পাহাড়ি অঞ্চলের আশেপাশে বসবাস করছেন, তাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন।

সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এই লঘুচাপটি শক্তি সঞ্চয় করে পরবর্তীতে নিম্নচাপেও পরিণত হওয়ার আভাস রয়েছে, যা আরও ভারী বৃষ্টিপাত ঘটাতে পারে।

ইতিমধ্যেই, খুলনা, বরগুনা এবং ভোলা অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। যারা নদীপথে যাতায়াত করছেন, তাদের সাবধানতা অবলম্বন করতে এবং আবহাওয়ার সর্বশেষ তথ্য জেনে যাত্রা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।