মালিবাগে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টার ও মালিকপক্ষের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ১১:০৪ এএম | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | বৃহস্পতিবার
মালিবাগে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টার ও মালিকপক্ষের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা

রাজধানীর মালিবাগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টার ও মালিকপক্ষের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে এ হামলায় সোহাগ পরিবহনের পরিচালকসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন।

সোহাগ পরিবহন কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে, এ ঘটনার নেতৃত্ব দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানা ইউনিটের সভাপতি তালুকদার বিল্লাল। কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনার সূত্রপাত হয় কাউন্টারের সামনে সিগারেট খাওয়া নিয়ে। দুই ব্যক্তিকে সিগারেট না খেতে অনুরোধ করলে তারা কাউন্টারের কর্মচারীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে কাউন্টারে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে কর্মচারী ও পরিচালকদের জখম করে।

এ ঘটনায় কাউন্টারের প্রায় ১৪ থেকে ১৫ কর্মচারী আহত হন। সোহাগ পরিবহনের মালিক আলী হাসান তালুকদার পলাশও আহত হয়েছেন। তার ভাই মাজেদুল হক নাদিম অভিযোগ করে বলেন, রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বিল্লালের নেতৃত্বে এ হামলা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, হামলাকারীরা শুধু কাউন্টার নয়, পলাশের গাড়ি ও বাসার গেটেও হামলা চালায়। তবে বাসার ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। পলাশের গাড়িচালকও ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর জখম হয়েছেন।

মাজেদুল হক নাদিম বলেন, “হামলার কারণ আমরা জানি না। আকস্মিকভাবেই এ ঘটনা ঘটে গেছে।” এদিকে রমনা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নাহিদ জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ৬০ থেকে ৭০ জন লোক একসঙ্গে এসে কাউন্টারে হামলা চালায় এবং কর্মচারীদের মারধর করে।

ধারালো অস্ত্রের কোপে অন্তত দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, আহতরা সিরাজুল ইসলাম মেডিকেলসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। পুলিশ বলছে, হামলার নেপথ্যের কারণ অনুসন্ধান চলছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মালিবাগে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টার ও মালিকপক্ষের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা

১১:০৪ এএম | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | বৃহস্পতিবার

রাজধানীর মালিবাগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টার ও মালিকপক্ষের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে এ হামলায় সোহাগ পরিবহনের পরিচালকসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন।

সোহাগ পরিবহন কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছে, এ ঘটনার নেতৃত্ব দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানা ইউনিটের সভাপতি তালুকদার বিল্লাল। কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনার সূত্রপাত হয় কাউন্টারের সামনে সিগারেট খাওয়া নিয়ে। দুই ব্যক্তিকে সিগারেট না খেতে অনুরোধ করলে তারা কাউন্টারের কর্মচারীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে কাউন্টারে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে কর্মচারী ও পরিচালকদের জখম করে।

এ ঘটনায় কাউন্টারের প্রায় ১৪ থেকে ১৫ কর্মচারী আহত হন। সোহাগ পরিবহনের মালিক আলী হাসান তালুকদার পলাশও আহত হয়েছেন। তার ভাই মাজেদুল হক নাদিম অভিযোগ করে বলেন, রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বিল্লালের নেতৃত্বে এ হামলা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, হামলাকারীরা শুধু কাউন্টার নয়, পলাশের গাড়ি ও বাসার গেটেও হামলা চালায়। তবে বাসার ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। পলাশের গাড়িচালকও ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর জখম হয়েছেন।

মাজেদুল হক নাদিম বলেন, “হামলার কারণ আমরা জানি না। আকস্মিকভাবেই এ ঘটনা ঘটে গেছে।” এদিকে রমনা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নাহিদ জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ৬০ থেকে ৭০ জন লোক একসঙ্গে এসে কাউন্টারে হামলা চালায় এবং কর্মচারীদের মারধর করে।

ধারালো অস্ত্রের কোপে অন্তত দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, আহতরা সিরাজুল ইসলাম মেডিকেলসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। পুলিশ বলছে, হামলার নেপথ্যের কারণ অনুসন্ধান চলছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।