বাজিতপুরে স্ত্রী হত্যার মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড, রায় ১০ বছর পর

- ২:৫৭ এএম | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | মঙ্গলবার
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে স্ত্রী ঝর্ণা আক্তারকে হত্যার দায়ে ইসমাইল সাগর মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ২০১৬ সালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ বছর পর সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এ রায় ঘোষণা করা হয়।
কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক সুপ্রিয়া রহমান বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আসামির অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ইসমাইল বাজিতপুর উপজেলার উত্তর সরারচর এলাকার প্রয়াত আয়েত আলীর ছেলে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০০৬ সালে ঝর্ণা আক্তারের সঙ্গে ইসমাইলের বিয়ে হয়। তাঁদের দুই মেয়ে রয়েছে। দাম্পত্য জীবনে বিরোধের জেরে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ২০১৬ সালের ১১ এপ্রিল ঝর্ণা দুই মেয়েকে নিয়ে গাজীপুরের বাসা ছেড়ে বাজিতপুরে মায়ের বাড়িতে যান।
এজাহারে বলা হয়, পরদিন সন্ধ্যায় ইসমাইল আরও দুজনকে নিয়ে সেখানে যান। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি ঝর্ণাকে ছুরিকাঘাত করেন। স্বজনেরা তাঁকে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ঝর্ণার মা মোছা. জাহেরা বেগম বাদী হয়ে ইসমাইল ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুজনের বিরুদ্ধে বাজিতপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ২৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) অ্যাডভোকেট মনসুর আলম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাক্ষ্য ও মামলার নথি পর্যালোচনা করে আদালত ইসমাইলকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।





















