কিশোরগঞ্জের কারাবন্দি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু

সাব্বির হোসেন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • ১১:৩৩ পিএম | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | রবিবার
কিশোরগঞ্জের কারাবন্দি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি অবস্থায় অসুস্থ হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খাইরুল আমিন রুহুল সরকার (৫০) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তাঁর বড় ভাই নুরুল আমিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে খাইরুল আমিনের মৃত্যু হয়।

খাইরুল আমিন কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের দশপাখি গ্রামের মৃত উসমান গণির ছেলে।

তিনি কেন্দ্রীয় দলিল লেখক সমিতির সাবেক সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং কটিয়াদী দলিল লেখক সমিতির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

পরিবারের দাবি, খাইরুল আমিনের আগে থেকেই মাঝেমধ্যে বুকে ব্যথা হতো। কারাগারে কয়েক দিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন।

গত দুই দিনে অবস্থার অবনতি হলেও সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ পাননি বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন।

নুরুল আমিন জানান, অবস্থার অবনতি হলে শনিবার খাইরুল আমিনকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে আইনি জটিলতায় কয়েক ঘণ্টা দেরি হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। পরে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়।

নুরুল আমিন বলেন, ‘সময়মতো চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেলে আমার ভাইকে বাঁচানো যেত।’ তাঁর দাবি, খাইরুল আমিন গত সাত থেকে আট বছর রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় ছিলেন। সম্প্রতি ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসের শুরুতে ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরেন খাইরুল আমিন। ৮ সেপ্টেম্বর কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার নাশির আহমেদ বলেন, কারাগারে খাইরুল আমিনের শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাঁকে প্রথমে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পুলিশি ব্যবস্থাপনায় ঢাকায় নেওয়া হয়। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

পরিবারের চিকিৎসায় বিলম্বের অভিযোগের বিষয়ে জেলার বলেন, শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ার পর দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

খাইরুল আমিনের আগে থেকে অসুস্থ থাকার বিষয়টি কারাগার কর্তৃপক্ষ জানত না বলেও তিনি দাবি করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জের কারাবন্দি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু

১১:৩৩ পিএম | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | রবিবার

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি অবস্থায় অসুস্থ হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খাইরুল আমিন রুহুল সরকার (৫০) নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি কটিয়াদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তাঁর বড় ভাই নুরুল আমিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে খাইরুল আমিনের মৃত্যু হয়।

খাইরুল আমিন কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের দশপাখি গ্রামের মৃত উসমান গণির ছেলে।

তিনি কেন্দ্রীয় দলিল লেখক সমিতির সাবেক সহ-আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং কটিয়াদী দলিল লেখক সমিতির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

পরিবারের দাবি, খাইরুল আমিনের আগে থেকেই মাঝেমধ্যে বুকে ব্যথা হতো। কারাগারে কয়েক দিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন।

গত দুই দিনে অবস্থার অবনতি হলেও সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ পাননি বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন।

নুরুল আমিন জানান, অবস্থার অবনতি হলে শনিবার খাইরুল আমিনকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সেখানে আইনি জটিলতায় কয়েক ঘণ্টা দেরি হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। পরে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়।

নুরুল আমিন বলেন, ‘সময়মতো চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেলে আমার ভাইকে বাঁচানো যেত।’ তাঁর দাবি, খাইরুল আমিন গত সাত থেকে আট বছর রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় ছিলেন। সম্প্রতি ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসের শুরুতে ওমরাহ পালন শেষে দেশে ফেরেন খাইরুল আমিন। ৮ সেপ্টেম্বর কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার নাশির আহমেদ বলেন, কারাগারে খাইরুল আমিনের শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাঁকে প্রথমে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পুলিশি ব্যবস্থাপনায় ঢাকায় নেওয়া হয়। ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

পরিবারের চিকিৎসায় বিলম্বের অভিযোগের বিষয়ে জেলার বলেন, শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ার পর দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

খাইরুল আমিনের আগে থেকে অসুস্থ থাকার বিষয়টি কারাগার কর্তৃপক্ষ জানত না বলেও তিনি দাবি করেন।