ইউনূস-মোদির বৈঠক: দুই দেশের সম্পর্কে ‘নতুন আশা’ দেখছেন মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ১০:৩৭ এএম | ০৫ এপ্রিল ২০২৫ | শনিবার
সংস্কারের অজুহাতে নির্বাচন পেছানো অগ্রহণযোগ্য : মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশ ও ভারতের সরকারপ্রধানের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠককে দুই দেশের জন্য ‘আশার আলো’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং নরেন্দ্র মোদির বৈঠকটি অত্যন্ত ইতিবাচক। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিশ্ব রাজনীতি এবং বাংলাদেশ-ভারত অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক আমাদের জন্য একটি আশার দিগন্ত উন্মোচন করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে সম্পর্কের তিক্ততা গড়ে উঠেছিল, তা যাতে আর বাড়তে না পারে বা হ্রাস পায়, এই বৈঠক সেই সম্ভাবনা তৈরি করেছে।’

বিএনপি মহাসচিবের মতে, ‘বৈঠকের যে চিত্র আমি দেখেছি, তাতে মনে হয়েছে দুই নেতাই এ ব্যাপারে আন্তরিক। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের কল্যাণে কাজ করবে।’

এর আগে গুলশান কার্যালয়ে ক্রীড়াঙ্গনের কর্মকর্তা, ক্রীড়াবিদ এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মির্জা ফখরুল। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক জনগণের সঙ্গে জনগণের।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউনূস-মোদির বৈঠক: দুই দেশের সম্পর্কে ‘নতুন আশা’ দেখছেন মির্জা ফখরুল

১০:৩৭ এএম | ০৫ এপ্রিল ২০২৫ | শনিবার

বাংলাদেশ ও ভারতের সরকারপ্রধানের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠককে দুই দেশের জন্য ‘আশার আলো’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ব্যাংককে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং নরেন্দ্র মোদির বৈঠকটি অত্যন্ত ইতিবাচক। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিশ্ব রাজনীতি এবং বাংলাদেশ-ভারত অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক আমাদের জন্য একটি আশার দিগন্ত উন্মোচন করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে সম্পর্কের তিক্ততা গড়ে উঠেছিল, তা যাতে আর বাড়তে না পারে বা হ্রাস পায়, এই বৈঠক সেই সম্ভাবনা তৈরি করেছে।’

বিএনপি মহাসচিবের মতে, ‘বৈঠকের যে চিত্র আমি দেখেছি, তাতে মনে হয়েছে দুই নেতাই এ ব্যাপারে আন্তরিক। এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের কল্যাণে কাজ করবে।’

এর আগে গুলশান কার্যালয়ে ক্রীড়াঙ্গনের কর্মকর্তা, ক্রীড়াবিদ এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মির্জা ফখরুল। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক জনগণের সঙ্গে জনগণের।’