কটিয়াদীতে ইমামের মরদেহ উদ্ধার, বন্ধু আহত

সাব্বির হোসেন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • ১২:২৩ এএম | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | মঙ্গলবার
কটিয়াদীতে ইমামের মরদেহ উদ্ধার, বন্ধু আহত

মসজিদের ইমাম শামীমের (২৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সেদিন রাতে তাঁদের মধ্যে কী ঘটেছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনাটি উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চর ঝাকালিয়া গ্রামের ইছামুদ্দিন সরকার বাড়ি মসজিদসংলগ্ন কক্ষে ঘটে।

শামীম একই গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় ফেকামারা আলিম মাদ্রাসায় পড়াশোনার পাশাপাশি ওই মসজিদে ইমামতি করতেন।

আহত সোহান একই গ্রামের প্রয়াত ছইদু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কক্ষটি থেকে হট্টগোল ও চিৎকার শোনা যায়।

সেখানে গিয়ে তাঁরা সোহানকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁর গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতচিহ্ন ছিল।

স্থানীয়দের কাছে সোহান দাবি করেন, শামীম তাঁকে আঘাত করেছেন। পরে তাঁকে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হট্টগোলের খবর পেয়ে সোমবার ভোরে শামীমের বাবা ফরিদ মিয়া ওই কক্ষে যান।

সেখানে ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।

পরে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

ফরিদ মিয়া বলেন, ছেলের সঙ্গে এলাকায় কারও বিরোধ ছিল বলে তাঁর জানা নেই।

ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান তিনি।

কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলের আলামত দেখে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার ধারণা করা হচ্ছে।

তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আহত সোহানের বক্তব্য পাওয়া গেলে ওই রাতে কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে আরও তথ্য মিলতে পারে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

কটিয়াদীতে ইমামের মরদেহ উদ্ধার, বন্ধু আহত

১২:২৩ এএম | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | মঙ্গলবার

মসজিদের ইমাম শামীমের (২৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সেদিন রাতে তাঁদের মধ্যে কী ঘটেছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনাটি উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চর ঝাকালিয়া গ্রামের ইছামুদ্দিন সরকার বাড়ি মসজিদসংলগ্ন কক্ষে ঘটে।

শামীম একই গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় ফেকামারা আলিম মাদ্রাসায় পড়াশোনার পাশাপাশি ওই মসজিদে ইমামতি করতেন।

আহত সোহান একই গ্রামের প্রয়াত ছইদু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কক্ষটি থেকে হট্টগোল ও চিৎকার শোনা যায়।

সেখানে গিয়ে তাঁরা সোহানকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁর গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতচিহ্ন ছিল।

স্থানীয়দের কাছে সোহান দাবি করেন, শামীম তাঁকে আঘাত করেছেন। পরে তাঁকে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হট্টগোলের খবর পেয়ে সোমবার ভোরে শামীমের বাবা ফরিদ মিয়া ওই কক্ষে যান।

সেখানে ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।

পরে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

ফরিদ মিয়া বলেন, ছেলের সঙ্গে এলাকায় কারও বিরোধ ছিল বলে তাঁর জানা নেই।

ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান তিনি।

কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলের আলামত দেখে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার ধারণা করা হচ্ছে।

তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আহত সোহানের বক্তব্য পাওয়া গেলে ওই রাতে কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে আরও তথ্য মিলতে পারে।