০৩:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫

নওগাঁয় আমের মুকুলে মুখরিত বাগান, কৃষকের মুখে হাসি

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৬ বার পড়া হয়েছে

আমের মুকুলের মিষ্টি গন্ধে ভেসে যাচ্ছে নওগাঁর আমবাগানগুলো। গাছে গাছে ঝুলে থাকা মুকুলের সৌন্দর্য আর মৌমাছির গুঞ্জনে প্রকৃতি যেন সাজিয়েছে নতুন রূপ। কৃষকদের মুখে ফুটেছে আশার হাসি, কারণ গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ আমগাছে মুকুল এসেছে।

জেলার বিভিন্ন আমবাগানে এখন চলছে কৃষকদের ব্যস্ততা। মুকুল রক্ষা ও ভালো ফলনের আশায় তারা নিয়মিত বাগান পরিচর্যা করছেন। সাপাহার উপজেলার বিদ্যানন্দি গ্রামের আমচাষি মজনু মিয়া বলেন, “আমার ৩ বিঘা জমির বাগানে এবার মুকুলের সংখ্যা অনেক বেশি।

পোকামাকড় থেকে মুকুল রক্ষায় আগাম কীটনাশক প্রয়োগ করছি। গত বছর দেড় লাখ টাকার আম বিক্রি করেছিলাম, এবার দ্বিগুণ আয়ের আশা করছি।”

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানান, “এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রায় ৯০ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছে। বাগানগুলোতে ছত্রাকনাশক ও সঠিক পরিচর্যার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের।”

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর নওগাঁয় ৩০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২০০ হেক্টর বেশি। লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৫০ হাজার টন আম উৎপাদনের। গত বছর জেলায় ৪ লাখ ২৫ হাজার টন আম উৎপাদিত হয়েছিল।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে এবার নওগাঁ থেকে রেকর্ড পরিমাণ আম পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নওগাঁয় আমের মুকুলে মুখরিত বাগান, কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট সময় ১১:৩৭:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

আমের মুকুলের মিষ্টি গন্ধে ভেসে যাচ্ছে নওগাঁর আমবাগানগুলো। গাছে গাছে ঝুলে থাকা মুকুলের সৌন্দর্য আর মৌমাছির গুঞ্জনে প্রকৃতি যেন সাজিয়েছে নতুন রূপ। কৃষকদের মুখে ফুটেছে আশার হাসি, কারণ গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ আমগাছে মুকুল এসেছে।

জেলার বিভিন্ন আমবাগানে এখন চলছে কৃষকদের ব্যস্ততা। মুকুল রক্ষা ও ভালো ফলনের আশায় তারা নিয়মিত বাগান পরিচর্যা করছেন। সাপাহার উপজেলার বিদ্যানন্দি গ্রামের আমচাষি মজনু মিয়া বলেন, “আমার ৩ বিঘা জমির বাগানে এবার মুকুলের সংখ্যা অনেক বেশি।

পোকামাকড় থেকে মুকুল রক্ষায় আগাম কীটনাশক প্রয়োগ করছি। গত বছর দেড় লাখ টাকার আম বিক্রি করেছিলাম, এবার দ্বিগুণ আয়ের আশা করছি।”

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ জানান, “এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রায় ৯০ শতাংশ গাছে মুকুল এসেছে। বাগানগুলোতে ছত্রাকনাশক ও সঠিক পরিচর্যার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের।”

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর নওগাঁয় ৩০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২০০ হেক্টর বেশি। লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৫০ হাজার টন আম উৎপাদনের। গত বছর জেলায় ৪ লাখ ২৫ হাজার টন আম উৎপাদিত হয়েছিল।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে এবার নওগাঁ থেকে রেকর্ড পরিমাণ আম পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা।