আশুলিয়ায় মহাসড়কে টায়ারে আগুন, হায়েসে পালাল দুর্বৃত্তরা

ফাহিম হোসেন রিজু
  • ২:১৬ এএম | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | রবিবার
আশুলিয়ায় মহাসড়কে টায়ারে আগুন, হায়েসে পালাল দুর্বৃত্তরা

সাভারের আশুলিয়ায় নবীনগর–চন্দ্রা মহাসড়কে টায়ারে আগুন দিয়ে স্লোগান দেওয়ার পর একটি হায়েসযোগে পালিয়ে গেছে একদল দুর্বৃত্ত। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নিভিয়ে সড়ক থেকে পোড়া টায়ার ও বর্জ্য সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে মহাসড়কের বাড়ইপাড়া জুম্মাঘরসংলগ্ন তানজিলা টেক্সটাইল কারখানার সামনে চন্দ্রামুখী লেনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, একটি হায়েসে করে আসা কয়েকজন ব্যক্তি মহাসড়কের ওপর টায়ার রেখে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে টায়ারটি দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করলে সড়কে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সাময়িকভাবে যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আগুন ধরানোর পর ওই ব্যক্তিরা ‘জয় বাংলা’সহ একটি নির্দিষ্ট রায়ের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। পরে তারা হায়েসে করে দ্রুত দক্ষিণ দিকে চলে যায়। তবে এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে মহাসড়ক থেকে পোড়া টায়ার ও অন্যান্য বর্জ্য সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শিমুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক রুবেল শেখ বলেন, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান এবং মহাসড়কে টায়ার জ্বলতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নেভানোর পাশাপাশি রাস্তা পরিষ্কার করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও ঘটনাস্থলে দেওয়া স্লোগানের ভিত্তিতে রুবেল শেখ দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়িত থাকতে পারেন। তবে তার এ দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সংগঠনের সম্পৃক্ততার তথ্যও পুলিশ জানায়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে ওই রুটে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আশুলিয়ায় মহাসড়কে টায়ারে আগুন, হায়েসে পালাল দুর্বৃত্তরা

২:১৬ এএম | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | রবিবার

সাভারের আশুলিয়ায় নবীনগর–চন্দ্রা মহাসড়কে টায়ারে আগুন দিয়ে স্লোগান দেওয়ার পর একটি হায়েসযোগে পালিয়ে গেছে একদল দুর্বৃত্ত। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নিভিয়ে সড়ক থেকে পোড়া টায়ার ও বর্জ্য সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে মহাসড়কের বাড়ইপাড়া জুম্মাঘরসংলগ্ন তানজিলা টেক্সটাইল কারখানার সামনে চন্দ্রামুখী লেনে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, একটি হায়েসে করে আসা কয়েকজন ব্যক্তি মহাসড়কের ওপর টায়ার রেখে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে টায়ারটি দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করলে সড়কে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় সাময়িকভাবে যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আগুন ধরানোর পর ওই ব্যক্তিরা ‘জয় বাংলা’সহ একটি নির্দিষ্ট রায়ের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। পরে তারা হায়েসে করে দ্রুত দক্ষিণ দিকে চলে যায়। তবে এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে মহাসড়ক থেকে পোড়া টায়ার ও অন্যান্য বর্জ্য সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শিমুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক রুবেল শেখ বলেন, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান এবং মহাসড়কে টায়ার জ্বলতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নেভানোর পাশাপাশি রাস্তা পরিষ্কার করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও ঘটনাস্থলে দেওয়া স্লোগানের ভিত্তিতে রুবেল শেখ দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়িত থাকতে পারেন। তবে তার এ দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি এবং কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা সংগঠনের সম্পৃক্ততার তথ্যও পুলিশ জানায়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে ওই রুটে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।