নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি, জুলাই থেকে মিলবে বকেয়া বেতন

ঢাকা প্রেস | নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ৪:৪৭ পিএম | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | শনিবার
নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি, জুলাই থেকে মিলবে বকেয়া বেতন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী নতুন বেতন ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে। আগামী ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে ইনক্রিমেন্টসহ নতুন বেতনস্কেলের শতভাগ সুবিধা পাবেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। একই সময়ে দশম থেকে বিংশ গ্রেডের কর্মচারীরা পাবেন বর্ধিত অংশের ৫০ শতাংশ। গত ৩০ জুন আহরিত অথবা প্রাপ্য মূল বেতনের সঙ্গে এ অর্থ যোগ হবে।

দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির ৭০ শতাংশ কার্যকর হবে। দশম থেকে বিংশ গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সময়ে পাবেন বর্ধিত বেতনের ৭৫ শতাংশ।

এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে ইনক্রিমেন্টসহ নতুন বেতনস্কেলের শতভাগ কার্যকর হবে। নতুন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় প্রজ্ঞাপন জারির আগের প্রাপ্য অর্থ বকেয়া হিসেবে দেওয়া হবে।

নতুন বেতনকাঠামোর আওতায় প্রথম থেকে দশম গ্রেড পর্যন্ত মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ এবং ১১তম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বাড়বে। তবে গ্রেড ও বিদ্যমান বেতনের ভিত্তিতে বৃদ্ধির পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পেনশনভোগীরাও একই পদ্ধতিতে ধাপে ধাপে বর্ধিত নিট পেনশন পাবেন। গত ১ জুলাই থেকে প্রজ্ঞাপন জারির সময় পর্যন্ত তাঁদের প্রাপ্য বর্ধিত অংশ বকেয়া হিসেবে পরিশোধ করা হবে।

এ ছাড়া নতুন বেতনকাঠামোর আওতাভুক্ত অন্যান্য ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন বেতনকাঠামোর প্রযোজ্য সুবিধা পাবেন।

এর আগে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের জন্য গঠিত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করা হয়। পরে অর্থ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বেতন বৃদ্ধির সময়সূচি ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণ করে। তথ্যটি প্রকাশিত সংবাদ থেকে যাচাই করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি, জুলাই থেকে মিলবে বকেয়া বেতন

৪:৪৭ পিএম | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | শনিবার

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী নতুন বেতন ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে। আগামী ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে ইনক্রিমেন্টসহ নতুন বেতনস্কেলের শতভাগ সুবিধা পাবেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। একই সময়ে দশম থেকে বিংশ গ্রেডের কর্মচারীরা পাবেন বর্ধিত অংশের ৫০ শতাংশ। গত ৩০ জুন আহরিত অথবা প্রাপ্য মূল বেতনের সঙ্গে এ অর্থ যোগ হবে।

দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির ৭০ শতাংশ কার্যকর হবে। দশম থেকে বিংশ গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সময়ে পাবেন বর্ধিত বেতনের ৭৫ শতাংশ।

এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে ইনক্রিমেন্টসহ নতুন বেতনস্কেলের শতভাগ কার্যকর হবে। নতুন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় প্রজ্ঞাপন জারির আগের প্রাপ্য অর্থ বকেয়া হিসেবে দেওয়া হবে।

নতুন বেতনকাঠামোর আওতায় প্রথম থেকে দশম গ্রেড পর্যন্ত মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ এবং ১১তম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বাড়বে। তবে গ্রেড ও বিদ্যমান বেতনের ভিত্তিতে বৃদ্ধির পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পেনশনভোগীরাও একই পদ্ধতিতে ধাপে ধাপে বর্ধিত নিট পেনশন পাবেন। গত ১ জুলাই থেকে প্রজ্ঞাপন জারির সময় পর্যন্ত তাঁদের প্রাপ্য বর্ধিত অংশ বকেয়া হিসেবে পরিশোধ করা হবে।

এ ছাড়া নতুন বেতনকাঠামোর আওতাভুক্ত অন্যান্য ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন বেতনকাঠামোর প্রযোজ্য সুবিধা পাবেন।

এর আগে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের জন্য গঠিত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করা হয়। পরে অর্থ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বেতন বৃদ্ধির সময়সূচি ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণ করে। তথ্যটি প্রকাশিত সংবাদ থেকে যাচাই করা হয়েছে।