ঘাটাইলে প্রশাসনের অনিয়ম ও দুর্নীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ৫:০৮ পিএম | ২৩ অক্টোবর ২০২৫ | বৃহস্পতিবার
ঘাটাইলে প্রশাসনের অনিয়ম ও দুর্নীতি

টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিক সমাজের অভিযোগ,

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সংশ্লিষ্ট কয়েকটি দপ্তরের কর্মকর্তারা সরকারি তহবিলের অর্থ আত্মসাত করছে বেআইনী ভাবে।

ঘাটাইল উপজেলা ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদ ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত জেলার বৃহত্তর একটি প্রশাসনিক এলাকা।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সরকারী প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের স্থলে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসকদের নেতৃত্বে কিছু প্রকল্পের ব্যয়ে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর কর তহবিল,

টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর কর ১% তহবিল হতে গত একবছরে তিন দফায় ২,০৭,০০,০০০/-( দুই কোটি সাত লক্ষ) টাকা তুলে নেন কোন প্রকার কাজ কর্ম না করেই ।

এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিক। অর্থ আত্মসাতের তথ্য প্রমান রয়েছে ঢাকা প্রেসের হাতে।

তাদের অভিযোগ, কিছু প্রকল্পে ব্যয় না করেই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়নি বলে তারা দাবি করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে— এসব অনিয়মে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সম্পৃক্ত থাকতে পারেন।

তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ বিষয়ে কোন জবাব পাওয়া যায়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সাঈদের মোবাইল ফোনে বেশ কয়েকবার ফোন করেও কোল উত্তের পাওয়া যায়নি।

ঘাটাইলের স্থানীয় নাগরিক সংগঠনগুলো অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রশাসনিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

তারা বলছেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে উন্নয়ন কার্যক্রমে জনগণের আস্থা নষ্ট হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঘাটাইলে প্রশাসনের অনিয়ম ও দুর্নীতি

৫:০৮ পিএম | ২৩ অক্টোবর ২০২৫ | বৃহস্পতিবার

টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলা প্রশাসনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিক সমাজের অভিযোগ,

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সংশ্লিষ্ট কয়েকটি দপ্তরের কর্মকর্তারা সরকারি তহবিলের অর্থ আত্মসাত করছে বেআইনী ভাবে।

ঘাটাইল উপজেলা ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদ ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত জেলার বৃহত্তর একটি প্রশাসনিক এলাকা।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সরকারী প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের স্থলে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসকদের নেতৃত্বে কিছু প্রকল্পের ব্যয়ে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর কর তহবিল,

টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন বরাদ্দের অর্থ স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর কর ১% তহবিল হতে গত একবছরে তিন দফায় ২,০৭,০০,০০০/-( দুই কোটি সাত লক্ষ) টাকা তুলে নেন কোন প্রকার কাজ কর্ম না করেই ।

এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন সচেতন নাগরিক। অর্থ আত্মসাতের তথ্য প্রমান রয়েছে ঢাকা প্রেসের হাতে।

তাদের অভিযোগ, কিছু প্রকল্পে ব্যয় না করেই অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়নি বলে তারা দাবি করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে— এসব অনিয়মে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সম্পৃক্ত থাকতে পারেন।

তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ বিষয়ে কোন জবাব পাওয়া যায়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সাঈদের মোবাইল ফোনে বেশ কয়েকবার ফোন করেও কোল উত্তের পাওয়া যায়নি।

ঘাটাইলের স্থানীয় নাগরিক সংগঠনগুলো অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রশাসনিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

তারা বলছেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে উন্নয়ন কার্যক্রমে জনগণের আস্থা নষ্ট হবে।