জাতীয় নির্বাচন সময় মতো না-ও হতে পারে

- ৬:২৭ পিএম | ২৯ অক্টোবর ২০২৫ | বুধবার
জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সংশয় জামায়াতের উদ্বেগ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার শঙ্কা।
আগামী ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
তবে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ভোট আয়োজন নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন সংশয়।
রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন সবকিছু কি সত্যিই পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে ?
জামায়াতে ইসলামী বলছে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি এখনো স্থিতিশীল নয়। তাদের আশঙ্কা, সময় মতো নির্বাচন নাও হতে পারে।
জাতীয় নির্বাচন সময়মতো না-ও হতে পারে, তবে জুলাই সনদ বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ,
এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
বুধবার ২৯ অক্টোবর সকালে মগবাজারের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কমনওয়েলথের ‘ইলেকটোরাল সাপোর্ট’ শাখার উপদেষ্টা ও,
প্রি-ইলেকশন অ্যাসেসমেন্ট’ প্রধান লিনফোর্ড অ্যান্ড্রুজের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফররত প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন
অন্যদিকে, রাজনৈতিক মাঠে প্রতিদিনই বাড়ছে উত্তাপ। প্রধান দুটি জোটের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অবস্থান, কর্মসূচি আর রাস্তায় সংঘাত সব মিলিয়ে বাড়ছে উৎকণ্ঠা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন বর্তমান পরিস্থিতি যদি শিগগিরই স্বাভাবিক না হয়, তাহলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে।
নির্বাচন কেবল ভোটের দিন নয় এর আগে দরকার আস্থার পরিবেশ, অংশগ্রহণমূলক প্রস্তুতি আর প্রশাসনিক স্থিতি।
তবে নির্বাচন কমিশন এখনো বলছে তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভোট আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
দেশব্যাপী ভোটকেন্দ্র প্রস্তুতি, তালিকা হালনাগাদসহ সব কাজ চলছে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী।
তবে এই পরিস্থিতিতে জামায়াত চায় আগে গণভোটের প্রস্তুতি। তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে জামায়াত,
এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রস্তাব দিয়েছে—গণভোটের মাধ্যমে বিষয়টি বাস্তবায়ন করা উচিত।
এনসিসির প্রস্তাব দ্রুত কার্যকর করে একটি আদেশের ভিত্তিতে গণভোট আয়োজন করতে হবে।
জামায়াত নেতা মনে করেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটই যথার্থ পদক্ষেপ।
নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। তাহেরের ভাষায়,
জুলাই সনদ এত গুরুত্বপূর্ণ যে কিছু অর্থ ব্যয় করেও এটি গণভোটের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোতেও এ চাপ বজায় থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি কেন্দ্রে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাবসহ সব বাহিনীর স্থায়ী অবস্থান নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অতীতে এসব বাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করেছে, এবার তাদের স্থায়ীভাবে মাঠে থাকতে হবে।






















