আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে হাটহাজারীতে উত্তেজনা, ১৪৪ ধারা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ১২:১১ পিএম | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রবিবার
আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে হাটহাজারীতে উত্তেজনা, ১৪৪ ধারা জারি

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘আপত্তিকর ভিডিও’ পোস্টকে কেন্দ্র করে দুপক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেয়ায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। একই সঙ্গে ভিডিও পোস্ট করা যুবক আরিয়ান ইব্রাহীমকে আটক করেছে পুলিশ।

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, জননিরাপত্তা, শান্তিশৃঙ্খলা ও জনস্বার্থ রক্ষায় মীরের হাট থেকে এগারো মাইল সাবস্টেশন পর্যন্ত এবং উপজেলা গেট থেকে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পর্যন্ত এলাকার রাস্তার দুই পাশ ও সংলগ্ন এলাকায় শনিবার রাত ১০টা থেকে রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা কার্যকর থাকবে।

এ সময় কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ, গণজমায়েত নিষিদ্ধ থাকবে। পাশাপাশি বিস্ফোরক দ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র বহন এবং পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রিত হয়ে চলাচলও সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের জশনে জুলুসে যাওয়ার পথে হাটহাজারী মাদরাসার সামনে দাঁড়িয়ে আরিয়ান অশালীন ভঙ্গিতে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেন। মুহূর্তেই ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে সন্ধ্যায় ষোলশহর থেকে ফেরার পথে শফিকিয়া দরবার শরীফ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত আরিয়ান ইব্রাহীম (২০) ফটিকছড়ি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শফিকিয়া দরবার শরীফ এলাকার মৃত মো. মুছার ছেলে। তিনি ফেসবুকে নিজেকে ফটিকছড়ি পৌরসভা ছাত্রদলের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিলেও সংগঠনটির সভাপতি একরাম উল্লাহ চৌধুরী দাবি করেছেন, আরিয়ান ছাত্রদলের কেউ নন। সংগঠনের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন তিনি। এ বিষয়ে সংগঠনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি প্রশাসনকে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী তারেক আজিজ বলেন, “উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। দুপক্ষ মুখোমুখি থাকায় স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে সেনাবাহিনী পাঠানোর প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে হাটহাজারীতে উত্তেজনা, ১৪৪ ধারা জারি

১২:১১ পিএম | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রবিবার

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘আপত্তিকর ভিডিও’ পোস্টকে কেন্দ্র করে দুপক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেয়ায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। একই সঙ্গে ভিডিও পোস্ট করা যুবক আরিয়ান ইব্রাহীমকে আটক করেছে পুলিশ।

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, জননিরাপত্তা, শান্তিশৃঙ্খলা ও জনস্বার্থ রক্ষায় মীরের হাট থেকে এগারো মাইল সাবস্টেশন পর্যন্ত এবং উপজেলা গেট থেকে কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পর্যন্ত এলাকার রাস্তার দুই পাশ ও সংলগ্ন এলাকায় শনিবার রাত ১০টা থেকে রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা কার্যকর থাকবে।

এ সময় কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ, গণজমায়েত নিষিদ্ধ থাকবে। পাশাপাশি বিস্ফোরক দ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র বহন এবং পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রিত হয়ে চলাচলও সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের জশনে জুলুসে যাওয়ার পথে হাটহাজারী মাদরাসার সামনে দাঁড়িয়ে আরিয়ান অশালীন ভঙ্গিতে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেন। মুহূর্তেই ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে সন্ধ্যায় ষোলশহর থেকে ফেরার পথে শফিকিয়া দরবার শরীফ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত আরিয়ান ইব্রাহীম (২০) ফটিকছড়ি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শফিকিয়া দরবার শরীফ এলাকার মৃত মো. মুছার ছেলে। তিনি ফেসবুকে নিজেকে ফটিকছড়ি পৌরসভা ছাত্রদলের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিলেও সংগঠনটির সভাপতি একরাম উল্লাহ চৌধুরী দাবি করেছেন, আরিয়ান ছাত্রদলের কেউ নন। সংগঠনের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন তিনি। এ বিষয়ে সংগঠনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি প্রশাসনকে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অতিরিক্ত চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী তারেক আজিজ বলেন, “উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। দুপক্ষ মুখোমুখি থাকায় স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে সেনাবাহিনী পাঠানোর প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।”