চট্টগ্রামে ক্লাব কক্ষে মিলল সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশীদের মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ৪:৫৩ পিএম | ০৪ আগস্ট ২০২৫ | সোমবার
চট্টগ্রামে ক্লাব কক্ষে

চট্টগ্রামের একটি ক্লাবের গেস্ট হাউজের কক্ষে সাবেক সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশীদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্লাবের ৩০৮ নম্বর কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সময় তিনি সেখানে রাত্রিযাপন করছিলেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) দক্ষিণ জোনের উপ-কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন জানান, আগের রাতে তিনি একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং এরপর গেস্ট হাউজে রাত কাটান। পরদিন সকালে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিং থাকলেও তার মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

পরে দরজায় কড়া নড়লেও কোনো সাড়া না পেয়ে বারান্দার কাচের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বিছানায় তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী, সিআইডি এবং ক্রাইম সিন ইউনিটসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে এবং পরিবারের অনুমতি সাপেক্ষে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সেনাবাহিনীর একটি অ্যাম্বুলেন্সে বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে মরদেহ চট্টগ্রামের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-এ নেওয়া হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ধলই এলাকার বাসিন্দা হারুন-অর-রশীদের মৃত্যুতে স্থানীয়দের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রতিবেশী মো. আক্তার হোসেন বলেন, তিনি একজন বিনয়ী মানুষ ছিলেন এবং সাবেক সেনাপ্রধান হয়েও সাধারণ জীবন যাপন করতেন।

তার এক নিকটাত্মীয়, মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. নজিবুন্নাহার ধারণা করছেন, হারুন-অর-রশীদ সম্ভবত স্ট্রোকে মারা গেছেন। তিনি আরও জানান, সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা মৃত্যুর আগে তার চোখ দান করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ক্লাব কক্ষে মিলল সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশীদের মরদেহ

৪:৫৩ পিএম | ০৪ আগস্ট ২০২৫ | সোমবার

চট্টগ্রামের একটি ক্লাবের গেস্ট হাউজের কক্ষে সাবেক সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশীদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্লাবের ৩০৮ নম্বর কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সময় তিনি সেখানে রাত্রিযাপন করছিলেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) দক্ষিণ জোনের উপ-কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন জানান, আগের রাতে তিনি একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং এরপর গেস্ট হাউজে রাত কাটান। পরদিন সকালে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিটিং থাকলেও তার মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

পরে দরজায় কড়া নড়লেও কোনো সাড়া না পেয়ে বারান্দার কাচের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বিছানায় তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী, সিআইডি এবং ক্রাইম সিন ইউনিটসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে এবং পরিবারের অনুমতি সাপেক্ষে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সেনাবাহিনীর একটি অ্যাম্বুলেন্সে বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে মরদেহ চট্টগ্রামের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-এ নেওয়া হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ধলই এলাকার বাসিন্দা হারুন-অর-রশীদের মৃত্যুতে স্থানীয়দের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রতিবেশী মো. আক্তার হোসেন বলেন, তিনি একজন বিনয়ী মানুষ ছিলেন এবং সাবেক সেনাপ্রধান হয়েও সাধারণ জীবন যাপন করতেন।

তার এক নিকটাত্মীয়, মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. নজিবুন্নাহার ধারণা করছেন, হারুন-অর-রশীদ সম্ভবত স্ট্রোকে মারা গেছেন। তিনি আরও জানান, সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা মৃত্যুর আগে তার চোখ দান করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।