জামায়াত আমিরের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ৫:০৩ পিএম | ২৩ অক্টোবর ২০২৫ | বৃহস্পতিবার
জামায়াত আমিরের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা

শুধু ১৯৭১ নয়, বরং ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর কর্মকাণ্ডে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে,

তাদের কাছে দলের পক্ষ থেকে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বুধবার রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেন তিনি।

বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন -এই এপোলজি আমরা অন্তত তিনবার দিয়েছি। প্রফেসর গোলাম আজম সাহেব দিয়েছেন,

মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী সাহেব দিয়েছেন, আর আমি নিজেও দিয়েছি।

কয়েকদিন আগে এটিএম আজহারুল ইসলাম জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও আমি প্রকাশ্যে বলেছি—

শুধু ৭১ নয়, ৪৭ সাল থেকে শুরু করে জামায়াতে ইসলামীর দ্বারা কেউ কষ্ট পেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে,

আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাইছি। আপনারা আমাদের ক্ষমা করে দেবেন।

তিনি বলেন, মানুষ হিসেবে ভুল হওয়া অস্বাভাবিক নয়, তবে ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া জরুরি।

আজ পর্যন্ত আমরা কোনো ভুল করিনি এটা বলব কী করে?

আমরা মানুষ, আমাদের সংগঠনও মানুষের সংগঠন। একশটা সিদ্ধান্তের মধ্যে একটা ভুল হতে পারে।

সেই ভুল সিদ্ধান্তে যদি জাতির ক্ষতি হয়ে থাকে,

তাহলে সেই জায়গায় ক্ষমা চাইতে আমাদের কোনো সংকোচ নেই। ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন,

ক্ষমা চাওয়ার পরেও কেউ কেউ ভাষা বা ভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, যা তার মতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক।

বিনা শর্তে মাফ চাইলাম, কোনো শর্ত দিলাম না,

তারপরও বলা হয়, এই ভাষায় নয়, ওই ভাষায় চাইতে হবে! এ যেন আরেক নতুন যন্ত্রণা।

বক্তব্যের শেষে তিনি আবারও বলেন আজ আবার প্রকাশ্যে বলছি,

১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর পর্যন্ত আমাদের দ্বারা যারা যেভাবে কষ্ট পেয়েছেন,

আমি ও জামায়াতে ইসলামী তাদের সবার কাছে নিঃশর্তভাবে ক্ষমা চাইছি।

বুধবার ২২ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায়,

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর পর্যন্ত যত ভুল করেছে, তার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চান।

ডা. শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যকে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে অনেকে দেখছেন,

তবে সমালোচকরাও প্রশ্ন তুলেছেন, ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি জামায়াত কি তাদের অতীত কর্মকাণ্ডের দায় রাজনৈতিকভাবে গ্রহণ করবে ?

নিউজটি শেয়ার করুন

জামায়াত আমিরের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা

৫:০৩ পিএম | ২৩ অক্টোবর ২০২৫ | বৃহস্পতিবার

শুধু ১৯৭১ নয়, বরং ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর কর্মকাণ্ডে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে,

তাদের কাছে দলের পক্ষ থেকে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বুধবার রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেন তিনি।

বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন -এই এপোলজি আমরা অন্তত তিনবার দিয়েছি। প্রফেসর গোলাম আজম সাহেব দিয়েছেন,

মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী সাহেব দিয়েছেন, আর আমি নিজেও দিয়েছি।

কয়েকদিন আগে এটিএম আজহারুল ইসলাম জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরও আমি প্রকাশ্যে বলেছি—

শুধু ৭১ নয়, ৪৭ সাল থেকে শুরু করে জামায়াতে ইসলামীর দ্বারা কেউ কষ্ট পেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে,

আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাইছি। আপনারা আমাদের ক্ষমা করে দেবেন।

তিনি বলেন, মানুষ হিসেবে ভুল হওয়া অস্বাভাবিক নয়, তবে ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া জরুরি।

আজ পর্যন্ত আমরা কোনো ভুল করিনি এটা বলব কী করে?

আমরা মানুষ, আমাদের সংগঠনও মানুষের সংগঠন। একশটা সিদ্ধান্তের মধ্যে একটা ভুল হতে পারে।

সেই ভুল সিদ্ধান্তে যদি জাতির ক্ষতি হয়ে থাকে,

তাহলে সেই জায়গায় ক্ষমা চাইতে আমাদের কোনো সংকোচ নেই। ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন,

ক্ষমা চাওয়ার পরেও কেউ কেউ ভাষা বা ভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, যা তার মতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক।

বিনা শর্তে মাফ চাইলাম, কোনো শর্ত দিলাম না,

তারপরও বলা হয়, এই ভাষায় নয়, ওই ভাষায় চাইতে হবে! এ যেন আরেক নতুন যন্ত্রণা।

বক্তব্যের শেষে তিনি আবারও বলেন আজ আবার প্রকাশ্যে বলছি,

১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর পর্যন্ত আমাদের দ্বারা যারা যেভাবে কষ্ট পেয়েছেন,

আমি ও জামায়াতে ইসলামী তাদের সবার কাছে নিঃশর্তভাবে ক্ষমা চাইছি।

বুধবার ২২ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায়,

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর পর্যন্ত যত ভুল করেছে, তার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চান।

ডা. শফিকুর রহমানের এই বক্তব্যকে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে অনেকে দেখছেন,

তবে সমালোচকরাও প্রশ্ন তুলেছেন, ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি জামায়াত কি তাদের অতীত কর্মকাণ্ডের দায় রাজনৈতিকভাবে গ্রহণ করবে ?