জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত গণঅধিকার ও এনসিপি

- ৫:৪২ পিএম | ০৪ অক্টোবর ২০২৫ | শনিবার
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, জামায়াত-শিবিরের অন্য দলে নিজেদের কর্মী যুক্ত করার রাজনীতির নীতি বন্ধ করতে হবে।
সাম্প্রতিককালে এই নীতির কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি।
এই দুই দলের পাশাপাশি আরো বিভিন্ন দলে জামায়াত-শিবির নিজেদের লোক যুক্ত রেখে সেই দলগুলোকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, দলের মধ্যে সন্দেহ-সংশয়ও বাড়িয়েছে।
গতকাল শুক্রবার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে গণঅধিকার পরিষদের নেতা এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান বলেন, ‘এমনকি বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনেও পরিচয় অপ্রকাশ্য রেখে যুক্ত করার নীতির কারণে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
অন্য দলে যুক্ত করার এই নীতি থেকে বাম-ডান-মধ্যপন্থী কেউই ছাড় পায়নি।
গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে জামায়াত-শিবির তার ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা সময় উপভোগ করছে।’
জামায়াত-শিবিরের উদ্দেশে রাশেদ খান আরো বলেন, ‘তারা যদি বাংলাদেশে মধ্যপন্থী ধারার রাজনীতিতে প্রবেশ করতে চায়, সেটাকেও সাধুবাদ জানাব।
কিন্তু তাদের পুরো রাজনীতির নীতি হতে হবে প্রকাশ্য নীতি।
অন্য দলে যুক্ত হয়ে সেই দলে প্রভাব বিস্তারের রাজনীতি পুরোপুরি বন্ধ না করলে পুরো দেশের সিস্টেম কলাপস করবে এবং বিরাজনীতিকরণ সৃষ্টি হবে।’






















