খুলনায় সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারে যৌথবাহিনীর অভিযান, ১১ আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ১০:৩৭ এএম | ৩০ মার্চ ২০২৫ | রবিবার
খুলনায় সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারে যৌথবাহিনীর অভিযান, ১১ আটক

খুলনা প্রতিনিধি: খুলনার বানরগাতী আরামবাগ এলাকায় পুলিশ ও যৌথবাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত পৌনে ১টার দিকে এই সংঘর্ষে ৩ পুলিশ সদস্য ও নৌবাহিনীর এক সদস্যসহ বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী আহত হন।

অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী শেখ পলাশসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ৩টি পিস্তল, একটি কাটা বন্ধুক, একটি একনলা শর্টগান, চাপাতি, কুড়াল ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সোনাডাঙ্গা জোনের সহকারী কমিশনার আজম খান জানান, সন্ত্রাসীদের বৈঠকের খবর পেয়ে পুলিশ ও যৌথবাহিনী আবদুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালায়। সন্ত্রাসীরা প্রথমে গুলি চালালে নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা ব্যবস্থা নেয়। সংঘর্ষের পর ১১ সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়।

আহত পুলিশ সদস্যদের খুলনা পুলিশ হাসপাতালে ও নৌবাহিনীর সদস্যকে নেভি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সন্ত্রাসীদের মধ্যে শেখ পলাশ, কালা লাভলু (রুবেল ইসলাম), আরিফুল, ফজলে রাব্বি রাজন, লিয়ন শরীফ, ইমরানুজ্জামান, ইমরান, রিপন, সৈকত রহমান, মহিদুল ইসলাম ও গোলাম রব্বানী রয়েছেন।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার অপারেশন অফিসার আবদুল হাই বলেন, সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাশের পুকুরে অস্ত্র ফেলে দেয়। এসব উদ্ধারে সকালে তল্লাশি চলবে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে অভিযান শেষ হলেও বাড়িটি ডিবি পুলিশের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

খুলনায় সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারে যৌথবাহিনীর অভিযান, ১১ আটক

১০:৩৭ এএম | ৩০ মার্চ ২০২৫ | রবিবার

খুলনা প্রতিনিধি: খুলনার বানরগাতী আরামবাগ এলাকায় পুলিশ ও যৌথবাহিনীর সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার রাত পৌনে ১টার দিকে এই সংঘর্ষে ৩ পুলিশ সদস্য ও নৌবাহিনীর এক সদস্যসহ বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী আহত হন।

অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী শেখ পলাশসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় ৩টি পিস্তল, একটি কাটা বন্ধুক, একটি একনলা শর্টগান, চাপাতি, কুড়াল ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সোনাডাঙ্গা জোনের সহকারী কমিশনার আজম খান জানান, সন্ত্রাসীদের বৈঠকের খবর পেয়ে পুলিশ ও যৌথবাহিনী আবদুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালায়। সন্ত্রাসীরা প্রথমে গুলি চালালে নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা ব্যবস্থা নেয়। সংঘর্ষের পর ১১ সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়।

আহত পুলিশ সদস্যদের খুলনা পুলিশ হাসপাতালে ও নৌবাহিনীর সদস্যকে নেভি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত সন্ত্রাসীদের মধ্যে শেখ পলাশ, কালা লাভলু (রুবেল ইসলাম), আরিফুল, ফজলে রাব্বি রাজন, লিয়ন শরীফ, ইমরানুজ্জামান, ইমরান, রিপন, সৈকত রহমান, মহিদুল ইসলাম ও গোলাম রব্বানী রয়েছেন।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার অপারেশন অফিসার আবদুল হাই বলেন, সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পাশের পুকুরে অস্ত্র ফেলে দেয়। এসব উদ্ধারে সকালে তল্লাশি চলবে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে অভিযান শেষ হলেও বাড়িটি ডিবি পুলিশের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।