বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট হবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ১:৪৫ এএম | ১৬ এপ্রিল ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট হবে না

আগামী দুই মাস দেশে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ধরনের সংকট হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন জ্বালানি বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

তিনি জানান, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ১ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন ডিজেল,

৩১ হাজার ৮২১ মেট্রিক টন অকটেন, ১৮ হাজার ২১১ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ৭৭ হাজার ৫৪৬ মেট্রিক টন জেট ফুয়েল মজুত রয়েছে।

জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র আরও জানান, প্রতি মাসেই আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করা হয়।

এপ্রিল মাসেও দাম সমন্বয় করা হয়েছে এবং আগামী মাসের মূল্য নির্ধারণ পরিস্থিতি অনুযায়ী নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ঢাকার বাইরে জ্বালানি সরবরাহে কোনো সমস্যা নেই।

রাজধানীতে কিছু পেট্রোল পাম্পে অতিরিক্ত ভিড় দেখা গেলেও এটি সাময়িক এবং ‘প্যানিক বায়িং’-এর কোনো প্রয়োজন নেই।

গত বছরের তুলনায় এ বছরও একই পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

শিল্প খাতে ডিজেলের কোনো ঘাটতি নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী তালিকা ধরে নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

পাশাপাশি বেসরকারি খাতে প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সরকার মার্চ ও এপ্রিল মাসে ক্রুড অয়েল আমদানি করতে না পারলেও,

এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের শুরুতে সৌদি আরব থেকে বিকল্প রুটে ক্রুড অয়েল আসবে বলে জানান তিনি।

এদিকে, দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি পরিশোধন করে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পূরণ করে থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট হবে না

১:৪৫ এএম | ১৬ এপ্রিল ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

আগামী দুই মাস দেশে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ধরনের সংকট হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন জ্বালানি বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

তিনি জানান, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ১ হাজার ৩৮৫ মেট্রিক টন ডিজেল,

৩১ হাজার ৮২১ মেট্রিক টন অকটেন, ১৮ হাজার ২১১ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ৭৭ হাজার ৫৪৬ মেট্রিক টন জেট ফুয়েল মজুত রয়েছে।

জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র আরও জানান, প্রতি মাসেই আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করা হয়।

এপ্রিল মাসেও দাম সমন্বয় করা হয়েছে এবং আগামী মাসের মূল্য নির্ধারণ পরিস্থিতি অনুযায়ী নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ঢাকার বাইরে জ্বালানি সরবরাহে কোনো সমস্যা নেই।

রাজধানীতে কিছু পেট্রোল পাম্পে অতিরিক্ত ভিড় দেখা গেলেও এটি সাময়িক এবং ‘প্যানিক বায়িং’-এর কোনো প্রয়োজন নেই।

গত বছরের তুলনায় এ বছরও একই পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

শিল্প খাতে ডিজেলের কোনো ঘাটতি নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী তালিকা ধরে নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

পাশাপাশি বেসরকারি খাতে প্রায় ১৪ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সরকার মার্চ ও এপ্রিল মাসে ক্রুড অয়েল আমদানি করতে না পারলেও,

এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের শুরুতে সৌদি আরব থেকে বিকল্প রুটে ক্রুড অয়েল আসবে বলে জানান তিনি।

এদিকে, দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি পরিশোধন করে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পূরণ করে থাকে।