বৃহস্পতিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ২:০৯ এএম | ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
বৃহস্পতিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

দেশজুড়ে রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

এলপিজি ডিলার ও ব্যবসায়ীদের একাংশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে মূল্য সমন্বয়, কমিশন জটিলতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যার কারণে তারা সাময়িকভাবে বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে করে শহর ও গ্রাম উভয় এলাকাতেই রান্নার গ্যাস সংকট আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এই সিদ্ধান্ত বড় ধরনের ভোগান্তির কারণ হতে পারে। অনেক পরিবারই এখন পুরোপুরি এলপিজি নির্ভর হয়ে পড়েছে। বিক্রি বন্ধ থাকলে বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠবে।

ভোক্তারা অভিযোগ করছেন, এর আগেও এলপিজির দাম বৃদ্ধি ও কৃত্রিম সংকটের কারণে বাজার অস্থির ছিল। এখন বিক্রি বন্ধের ঘোষণায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে। তারা দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ ও কার্যকর সমাধান দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, দ্রুত আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে বাজারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বৃহস্পতিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

২:০৯ এএম | ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

দেশজুড়ে রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

এলপিজি ডিলার ও ব্যবসায়ীদের একাংশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে মূল্য সমন্বয়, কমিশন জটিলতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যার কারণে তারা সাময়িকভাবে বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে করে শহর ও গ্রাম উভয় এলাকাতেই রান্নার গ্যাস সংকট আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এই সিদ্ধান্ত বড় ধরনের ভোগান্তির কারণ হতে পারে। অনেক পরিবারই এখন পুরোপুরি এলপিজি নির্ভর হয়ে পড়েছে। বিক্রি বন্ধ থাকলে বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠবে।

ভোক্তারা অভিযোগ করছেন, এর আগেও এলপিজির দাম বৃদ্ধি ও কৃত্রিম সংকটের কারণে বাজার অস্থির ছিল। এখন বিক্রি বন্ধের ঘোষণায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে। তারা দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ ও কার্যকর সমাধান দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, দ্রুত আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে বাজারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।