রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় চাইল বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ২:৩০ এএম | ০২ এপ্রিল ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় চাইল বাংলাদেশ

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে রাশিয়া থেকে ডিজেলসহ বিভিন্ন জ্বালানি আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছে বাংলাদেশ। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (ওয়াশিংটন সময়) যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরে দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইটের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এ বিষয়টি উঠে আসে। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল তৃতীয় দেশে পরিশোধনের পর তা আমদানির সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক সংঘাত ও সরবরাহ বিঘ্নের কারণে বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত জ্বালানি সংগ্রহের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত বৈশ্বিক ছাড় থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি। কারণ, তখন রাশিয়ার তেলবাহী কোনো ট্যাংকার বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়নি। বৈঠকে এই বিষয়টিও তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতে চাপ বাড়ছে এবং এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রও বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।

মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে।

এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সহযোগিতা, যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি এবং স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাশিয়ার জ্বালানি কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় চাইল বাংলাদেশ

২:৩০ এএম | ০২ এপ্রিল ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে রাশিয়া থেকে ডিজেলসহ বিভিন্ন জ্বালানি আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছে বাংলাদেশ। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার মধ্যে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (ওয়াশিংটন সময়) যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরে দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইটের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এ বিষয়টি উঠে আসে। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল তৃতীয় দেশে পরিশোধনের পর তা আমদানির সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক সংঘাত ও সরবরাহ বিঘ্নের কারণে বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত জ্বালানি সংগ্রহের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত বৈশ্বিক ছাড় থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি। কারণ, তখন রাশিয়ার তেলবাহী কোনো ট্যাংকার বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়নি। বৈঠকে এই বিষয়টিও তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতে চাপ বাড়ছে এবং এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্রও বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।

মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে।

এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সহযোগিতা, যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি এবং স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।