মোহাম্মদপুরে আরেক ত্রাসের নাম ‘পাটালি গ্রুপ’

- ৭:৪৫ পিএম | ২১ অক্টোবর ২০২৫ | মঙ্গলবার
বর্তমানে মোহাম্মদপুরে ত্রাসের নাম পাটালি গ্রুপ। মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজি সহ ছোট বড় সব অপরাধের সাথে যুক্ত এই সন্ত্রাসী গ্রুপটি।
সম্প্রতি এই গ্যাং এর কিছু সদস্য গ্রেপ্তার হলেও থামেনি এদের তৎপরতা, একের পর এক মামলার বাদিদের হুমকি দিয়েই যাচ্ছে।
পুলিশ বলছে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনা হবে এই গ্রুপটিকে।
গত ১৫ মে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে জারফাবাদ এলাকায় মধ্যরাতের ঘটনা। এই গ্রুপের অস্ত্রধারীরা কুপিয়ে গুরুতর আহত করে একই পরিবারের সাত জনকে।
পাঁচ মাস পরও আঘাতের সেই চিহ্নগুলো স্পষ্ট আহতদের শরীরে। ভুক্তভোগীরা জানান, বিনা অপরাধে পাটালি গ্রুপের সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হন তারা।
একজন ভুক্তভোগী বলেন, আমাদের সবকিছু শেষ করে দিয়েছে।
আমরা তো এখন একদমই অসহায়, মূল যে চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে তারা ২১ দিনের মাথায় জামিন পেয়েছে।
বাকিদের যদি গ্রেপ্তার করা হয় তাহলে আমরা স্বস্তি পেতাম।
মোহাম্মদপুরে পাটালি গ্রুপের হাত থেকে রেহাই পাননি নারীরাও।
চলতি মাসের ৪ তারিখ বোটঘাট এলাকায় দিনদুপুরে এক নারীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় স্বর্ণালংকার ও টাকা।
ওই ঘটনায় মোহাম্মাদপুর থানায় মামলা করার পর থেকে হুমকি পাচ্ছেন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, মোহাম্মাদপুরে আতঙ্কের নাম পাটালি গ্রুপ। ছিনতাই, চাঁদাবাজি, হত্যা চেষ্টাসহ অভিযোগের শেষ নেই তাদের বিরুদ্ধে। এছাড়া, টিকটকে ভিডিও বানিয়ে মানুষকে নানা ভয়ভীতি দেখায় তারা।
পুলিশ জানায়, পাটালি গ্রুপের মূল হোতা পাটালি হাসান বর্তমানে জেলহাজতে। তবে, সাম্প্রতিক মামলায় গ্রুপটির ১২ জন গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে গেছে কয়েকজন।
তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান বলেন, বর্তমানে পাটালি গ্রুপের যারা রয়েছে অধিকাংশ আসামিকে আমরা ধরে ফেলেছি।
যেভাবে অপরাধের বিস্তার ঘটেছিল সেখান থেকে আমরা কিন্তু এখন বলতে পারেন একটা স্ট্যাবল কন্ডিশনে নিয়ে এসেছি। আমরা একে ধরে রাখার চেষ্টা করছি।
রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে আলোচিত মোহাম্মাদপুর। শুধু গেলো এক মাসে এই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে ছয় শতাধিক সন্ত্রাসী।






















