বাংলাদেশে সরকার পতনের কারণ দুর্বল শাসনব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ৬:৩৫ পিএম | ০১ নভেম্বর ২০২৫ | শনিবার
বাংলাদেশে সরকার পতনের কারণ দুর্বল শাসনব্যবস্থা

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের বিষয় ইঙ্গিত করে এর কারণ উল্লেখ করেছেন।

একইসঙ্গে তিনি শ্রীলঙ্কা ও নেপালের সরকার পরিবর্তনের কারণ নিয়েও কথা বলেন।

নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বলেন, গত সাড়ে তিন বছরে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় সরকারের পরিবর্তন বা উত্থানের পেছনে অন্যতম কারণ ছিল অদক্ষ ও দুর্বল শাসনব্যবস্থা।

গতকাল শুক্রবার ‘জাতীয় একতা দিবস’ উপলক্ষে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত সরদার প্যাটেল স্মারক বক্তৃতায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

সুশাসন ও জাতীয় সংহতি নিয়ে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে অজিত দোভাল বলেন একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার মূল চাবিকাঠি হলো কার্যকর শাসনব্যবস্থা।

তার ভাষায়, “একটি জাতি গঠনের প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখার ক্ষেত্রে শাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বক্তৃতায় ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে দোভাল বলেন—

“বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যে অসাংবিধানিক উপায়ে সরকার পরিবর্তন ঘটেছে, সেগুলো আসলে দুর্বল ও অদক্ষ শাসনেরই উদাহরণ।

অজিত দোভালের এই মন্তব্য এসেছে এমন এক সময়, যখন বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ঘনীভূত হচ্ছে।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি তাঁর দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারই সেই নির্বাচনের আয়োজন করছে।

দোভাল বলেন— ইতিহাস প্রমাণ করেছে, অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ও অদক্ষ শাসনই প্রায়ই রাষ্ট্রের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি আরও যোগ করেন, রাজতন্ত্র, গোষ্ঠীশাসন কিংবা গণতন্ত্র— সব ব্যবস্থার উত্থান ও পতনের পেছনে আসলে শাসনের দক্ষতাই নির্ধারক ভূমিকা রাখে।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোতে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় এমন মন্তব্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশে সরকার পতনের কারণ দুর্বল শাসনব্যবস্থা

৬:৩৫ পিএম | ০১ নভেম্বর ২০২৫ | শনিবার

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের বিষয় ইঙ্গিত করে এর কারণ উল্লেখ করেছেন।

একইসঙ্গে তিনি শ্রীলঙ্কা ও নেপালের সরকার পরিবর্তনের কারণ নিয়েও কথা বলেন।

নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বলেন, গত সাড়ে তিন বছরে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় সরকারের পরিবর্তন বা উত্থানের পেছনে অন্যতম কারণ ছিল অদক্ষ ও দুর্বল শাসনব্যবস্থা।

গতকাল শুক্রবার ‘জাতীয় একতা দিবস’ উপলক্ষে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত সরদার প্যাটেল স্মারক বক্তৃতায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

সুশাসন ও জাতীয় সংহতি নিয়ে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে অজিত দোভাল বলেন একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার মূল চাবিকাঠি হলো কার্যকর শাসনব্যবস্থা।

তার ভাষায়, “একটি জাতি গঠনের প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখার ক্ষেত্রে শাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বক্তৃতায় ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে দোভাল বলেন—

“বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যে অসাংবিধানিক উপায়ে সরকার পরিবর্তন ঘটেছে, সেগুলো আসলে দুর্বল ও অদক্ষ শাসনেরই উদাহরণ।

অজিত দোভালের এই মন্তব্য এসেছে এমন এক সময়, যখন বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ঘনীভূত হচ্ছে।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি তাঁর দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারই সেই নির্বাচনের আয়োজন করছে।

দোভাল বলেন— ইতিহাস প্রমাণ করেছে, অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ও অদক্ষ শাসনই প্রায়ই রাষ্ট্রের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি আরও যোগ করেন, রাজতন্ত্র, গোষ্ঠীশাসন কিংবা গণতন্ত্র— সব ব্যবস্থার উত্থান ও পতনের পেছনে আসলে শাসনের দক্ষতাই নির্ধারক ভূমিকা রাখে।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোতে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় এমন মন্তব্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।