আটক ৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা

ফাহিম হোসেন রিজু
  • ৭:৪৭ পিএম | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
আটক ৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক পাঁচজনকে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে না পাঠিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আদালত। এ ঘটনায় ঘোড়াঘাট থানার তৎকালীন ওসি মো. শহিদুল ইসলামকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘোড়াঘাট আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তানছির রহমান গত ১৬ সেপ্টেম্বর এ আদেশ দেন। আগামী ২৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় সাবেক ওসিকে স্বশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা ও অভিযানসংক্রান্ত নথি উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, গত ১৫ সেপ্টেম্বর পুলিশের অভিযানে আটক পাঁচজনকে থানায় নেওয়ার পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে হাজির করা হয়। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত চারজনকে ছয় মাস এবং একজনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

আদালতের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে, আটক ব্যক্তিদের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে না পাঠিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করার ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা ব্যাখ্যার প্রয়োজন রয়েছে। আদালত এখনো সাবেক ওসিকে দোষী সাব্যস্ত করেননি।

থানা সূত্র জানিয়েছে, আদেশের দুই দিন পর ১৮ সেপ্টেম্বর মো. শহিদুল ইসলামকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কন্ট্রোল রুমে বদলি করা হয়। বদলির সঙ্গে আদালতের আদেশের সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আটক ৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা

৭:৪৭ পিএম | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | বৃহস্পতিবার

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক পাঁচজনকে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে না পাঠিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আদালত। এ ঘটনায় ঘোড়াঘাট থানার তৎকালীন ওসি মো. শহিদুল ইসলামকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘোড়াঘাট আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তানছির রহমান গত ১৬ সেপ্টেম্বর এ আদেশ দেন। আগামী ২৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় সাবেক ওসিকে স্বশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা ও অভিযানসংক্রান্ত নথি উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, গত ১৫ সেপ্টেম্বর পুলিশের অভিযানে আটক পাঁচজনকে থানায় নেওয়ার পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে হাজির করা হয়। সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত চারজনকে ছয় মাস এবং একজনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

আদালতের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে, আটক ব্যক্তিদের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে না পাঠিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করার ক্ষেত্রে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা ব্যাখ্যার প্রয়োজন রয়েছে। আদালত এখনো সাবেক ওসিকে দোষী সাব্যস্ত করেননি।

থানা সূত্র জানিয়েছে, আদেশের দুই দিন পর ১৮ সেপ্টেম্বর মো. শহিদুল ইসলামকে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কন্ট্রোল রুমে বদলি করা হয়। বদলির সঙ্গে আদালতের আদেশের সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।