একদিনের জন্য বিক্ষোভ স্থগিত, সরকারি কর্মচারীদের দাবি এখন সরকারের শীর্ষমহলে

- ৬:৪২ পিএম | ২৭ মে ২০২৫ | মঙ্গলবার
সরকারি চাকরি আইন সংশোধন অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে একদিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। সম্প্রতি সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ সংশোধন করে জারি করা হয়েছে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’।
এই অধ্যাদেশ জারির পর থেকেই সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারীরা এর তীব্র বিরোধিতা করে আসছিলেন। তাদের মূল দাবি, এই অধ্যাদেশ বাতিল করতে হবে।
এই প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ টানা চতুর্থ দিনের মতো সচিবালয়ের ভেতরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন কর্মচারীরা। নিজেদের দপ্তর ছেড়ে বিপুল সংখ্যক কর্মচারী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
কর্মচারীদের এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে আজ সচিবালয়ে ছিল কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা। প্রধান ফটকে বিশেষায়িত বাহিনী সোয়াট মোতায়েন করা হয়। এছাড়াও বিজিবি এবং র্যাবও মোতায়েন ছিল। সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সাংবাদিকদের সচিবালয়ে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়নি।
আন্দোলনরত কর্মচারীরা তাদের বুধবারের পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদসহ কয়েকজন সচিবের সঙ্গে আন্দোলনকারী কর্মচারী নেতাদের একটি বৈঠক হয়।
বৈঠক শেষে ভূমি সচিব সাংবাদিকদের জানান, “আমরা আন্দোলনকারীদের বক্তব্য শুনেছি। এ বিষয়ে আগামীকাল বুধবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে জানানো হবে। সরকারের শীর্ষমহলকেও বিষয়টি অবহিত করা হবে। এই পরিস্থিতিতে কর্মচারীরা আগামীকাল কোনো কর্মসূচি করবেন না।”
সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের নেতা বাদিউল কবীরও এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সচিবালয়ের আন্দোলন এক দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়া অনুমোদন হয়। এরপর থেকেই কর্মচারীরা আন্দোলনে নামেন। গত রবিবার সন্ধ্যায় সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করে সরকার। কর্মচারীদের দাবি, এই অধ্যাদেশে তাদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে এবং এটি তাদের জন্য অগ্রহণযোগ্য।






















