০৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫

বিটরুট চাষে নতুন প্রযুক্তি: ৫৫ দিনে হেক্টরে ২৫ টন ফলন

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:২৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষকরা বিটরুট চাষের একটি লাভজনক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। নতুন এই পদ্ধতিতে মাত্র ৫৫ দিনে হেক্টরপ্রতি ২৫ টন পর্যন্ত বিটরুট উৎপাদন সম্ভব।

বাকৃবির উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল গবেষক এই সাফল্য অর্জন করেছেন। তাঁদের গবেষণায় দেখা গেছে, জৈব ও অজৈব সারের সঙ্গে মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে বিটরুটের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।

গবেষকরা জানান, এই পদ্ধতিতে ইউরিয়া, টিএসপি, গোবর ও ভার্মিকম্পোস্ট ব্যবহার করা হয়। মালচিং হিসেবে কালো পলিথিন, কচুরিপানা ও খড় ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া গেছে। এতে মাটির আর্দ্রতা ও পুষ্টিগুণ সংরক্ষিত থাকে।

অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, “বিটরুট একটি পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি। এতে অ্যান্থোসায়ানিন, বিটাক্যারোটিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। নতুন এই পদ্ধতি কৃষকদের জন্য লাভজনক হবে।”

গবেষকরা জানান, শীতকালীন এই ফসল আমন ধান কাটার পর ও বোরো ধান রোপণের আগে পতিত জমিতে চাষ করা যায়। বর্তমানে বিটরুটের পুষ্টিগুণ নিয়ে পরমাণু পর্যায়ে গবেষণা চলছে।

এই প্রযুক্তি কৃষকদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনীর পরিকল্পনা করছেন গবেষকরা। তাঁরা আশা করছেন, এই উদ্ভাবন দেশের পুষ্টি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বিটরুট চাষে নতুন প্রযুক্তি: ৫৫ দিনে হেক্টরে ২৫ টন ফলন

আপডেট সময় ১১:২৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গবেষকরা বিটরুট চাষের একটি লাভজনক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। নতুন এই পদ্ধতিতে মাত্র ৫৫ দিনে হেক্টরপ্রতি ২৫ টন পর্যন্ত বিটরুট উৎপাদন সম্ভব।

বাকৃবির উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল গবেষক এই সাফল্য অর্জন করেছেন। তাঁদের গবেষণায় দেখা গেছে, জৈব ও অজৈব সারের সঙ্গে মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে বিটরুটের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।

গবেষকরা জানান, এই পদ্ধতিতে ইউরিয়া, টিএসপি, গোবর ও ভার্মিকম্পোস্ট ব্যবহার করা হয়। মালচিং হিসেবে কালো পলিথিন, কচুরিপানা ও খড় ব্যবহারে ভালো ফল পাওয়া গেছে। এতে মাটির আর্দ্রতা ও পুষ্টিগুণ সংরক্ষিত থাকে।

অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, “বিটরুট একটি পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি। এতে অ্যান্থোসায়ানিন, বিটাক্যারোটিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। নতুন এই পদ্ধতি কৃষকদের জন্য লাভজনক হবে।”

গবেষকরা জানান, শীতকালীন এই ফসল আমন ধান কাটার পর ও বোরো ধান রোপণের আগে পতিত জমিতে চাষ করা যায়। বর্তমানে বিটরুটের পুষ্টিগুণ নিয়ে পরমাণু পর্যায়ে গবেষণা চলছে।

এই প্রযুক্তি কৃষকদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনীর পরিকল্পনা করছেন গবেষকরা। তাঁরা আশা করছেন, এই উদ্ভাবন দেশের পুষ্টি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।