অ্যাম্বুলেন্স চালকের কৌশলে যেভাবে ধরা পড়ল প্রেমিকাকে ধর্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ৮:০১ পিএম | ১৩ অক্টোবর ২০২৫ | সোমবার
অ্যাম্বুলেন্স চালকের কৌশলে যেভাবে ধরা পড়ল প্রেমিকাকে ধর্ষণ

গত বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক কিশোরীকে নিয়ে গাজীপুরের চন্দ্রা এলাকায় ‘আব্দুল মান্নান প্লাজা’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠে মমিনুল ইসলাম মোহন ও আতিকুর রহমান নামে দুই যুবক।

হোটেলে অবস্থানকালে মমিনুল কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

এতে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

পরে মমিনুল ও তার সহযোগী আতিকুর কিশোরীকে একটি ওষুধের দোকানে নিয়ে যান।

সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসায় রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় তারা একটি অটোরিকশা ভাড়া করে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

সেখানে চিকিৎসকরা অবস্থার অবনতি দেখে ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেন।

এরপর তারা একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার পথে রওনা দেন।

দিকে ঢাকায় আনার পথে ওই কিশোরী মারা যায়।

তখন অ্যাম্বুলেন্সচালক কৌশলে গাড়িটি ঘুরিয়ে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানায় নিয়ে যান।

এ সময় পুলিশ দুই যুবকে করে কালিয়াকৈর থানায় খবর দেয়।

খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ এসে মির্জাপুর থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, নিহত কিশোরীর (১৭) বাড়ি গাইবান্ধায়।

আটক দুই যুবক হলো- মমিনুল ইসলাম মোহন (২২) ও আতিকুর রহমানকে (২৩)।

আটক মমিনুল রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার উত্তর সাজুরিয়া এলাকার হেলাল উদ্দিনের ছেলে।

আর আতিকুর পাবনার চাটমোহর উপজেলার নিমাইচূড়া এলাকার শাহ আলমের ছেলে।

পুলিশ আরও জানায়, আটক দু’জনই সাভারের আশুলিয়া এলাকায় থেকে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

সেখানে ভুক্তভোগী কিশোরীর সঙ্গে মমিনুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিন বছর ধরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক চলছিল।

এ ব্যাপারে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুই যুবককে আটক করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অ্যাম্বুলেন্স চালকের কৌশলে যেভাবে ধরা পড়ল প্রেমিকাকে ধর্ষণ

৮:০১ পিএম | ১৩ অক্টোবর ২০২৫ | সোমবার

গত বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এক কিশোরীকে নিয়ে গাজীপুরের চন্দ্রা এলাকায় ‘আব্দুল মান্নান প্লাজা’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠে মমিনুল ইসলাম মোহন ও আতিকুর রহমান নামে দুই যুবক।

হোটেলে অবস্থানকালে মমিনুল কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।

এতে ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

পরে মমিনুল ও তার সহযোগী আতিকুর কিশোরীকে একটি ওষুধের দোকানে নিয়ে যান।

সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসায় রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় তারা একটি অটোরিকশা ভাড়া করে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

সেখানে চিকিৎসকরা অবস্থার অবনতি দেখে ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেন।

এরপর তারা একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকার পথে রওনা দেন।

দিকে ঢাকায় আনার পথে ওই কিশোরী মারা যায়।

তখন অ্যাম্বুলেন্সচালক কৌশলে গাড়িটি ঘুরিয়ে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানায় নিয়ে যান।

এ সময় পুলিশ দুই যুবকে করে কালিয়াকৈর থানায় খবর দেয়।

খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ এসে মির্জাপুর থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে এবং ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, নিহত কিশোরীর (১৭) বাড়ি গাইবান্ধায়।

আটক দুই যুবক হলো- মমিনুল ইসলাম মোহন (২২) ও আতিকুর রহমানকে (২৩)।

আটক মমিনুল রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার উত্তর সাজুরিয়া এলাকার হেলাল উদ্দিনের ছেলে।

আর আতিকুর পাবনার চাটমোহর উপজেলার নিমাইচূড়া এলাকার শাহ আলমের ছেলে।

পুলিশ আরও জানায়, আটক দু’জনই সাভারের আশুলিয়া এলাকায় থেকে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

সেখানে ভুক্তভোগী কিশোরীর সঙ্গে মমিনুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিন বছর ধরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক চলছিল।

এ ব্যাপারে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুই যুবককে আটক করা হয়েছে।