জাপানের তাক লাগানো প্রযুক্তি!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ৪:১৮ এএম | ১৭ অক্টোবর ২০২৫ | শুক্রবার
জাপানের তাক লাগানো প্রযুক্তি!

জাপান আবারো তাক লাগানো এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে।

ওসাকা এক্সপো ২০২৫-এ তারা প্রদর্শন করেছে মানব ধোয়ার যন্ত্র বা আধুনিক গোসল পড।

যা মাত্র ১৫ মিনিটে শরীরকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে ফেলতে পারে, তাও কোনো হাত-পায়ের ঝামেলা ছাড়াই।

এই যন্ত্রটি ভবিষ্যতের গোসল অভিজ্ঞতা কী হতে পারে, তারই এক ঝলক দেখাচ্ছে।

এই যন্ত্রটি তৈরি করেছে ওসাকার শাওয়ারহেড নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সায়েন্স কোং। ১৯৭০ সালে ওসাকার প্রথম এক্সপোতে এমন একটি ধারণা প্রথম দেখা গিয়েছিল,

কিন্তু সময়ের সাথে সেটি হারিয়ে যায়। এবার সেটিকে আরো আধুনিক করে ফিরিয়ে এনেছে জাপান।

কিভাবে কাজ করে এই মেশিন?

এই গোসল মেশিনটি দেখতে একটি স্বচ্ছ ক্যাপসুলের মতো।

ভেতরে ঢুকে বসলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে শরীর ধুয়ে দেয় মাত্র ১৫ মিনিটে। মেশিনের নিচের অংশে গরম পানি ঘুরে বেড়ায়, আর উপরের অংশে হালকা কুয়াশা ছিটিয়ে দেয়।

এতে রয়েছে উন্নত সেন্সর ও এআই প্রযুক্তি, যা ব্যবহারকারীর হৃদস্পন্দন ও শরীরের তাপমাত্রা দেখে গোসলের পদ্ধতি ঠিক করে। বিশেষ মাইক্রো বুদবুদ দিয়ে ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করা হয়।

আরাম ও বিনোদন – দুটোই একসাথে

গোসলের সময় শুধু পরিষ্কারই নয়, ব্যবহারকারী শুনতে পারবেন হালকা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, সঙ্গে থাকছে স্ক্রিনে ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে।

আর গোসল শেষে শরীর এমনিতেই শুকনো, মানে তোয়ালের দরকার নেই।

কারা ব্যবহার করতে পারবে?

বর্তমানে এই মেশিন ওসাকা এক্সপো ২০২৫-এ প্রদর্শিত হচ্ছে, যেখানে প্রায় এক হাজার মানুষ এটি ব্যবহার করে দেখতে পারবেন।

ভবিষ্যতে মেশিনটির বাড়ির জন্য ব্যবহারযোগ্য সংস্করণ বাজারে আনা হতে পারে। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ, ব্যস্ত কর্মজীবী ও মানসিক চাপ কমাতে চান এমন ব্যক্তিদের জন্য।

তবে এখনো মূল্য ঘোষণা করা হয়নি। অনেকে ভাবছেন, প্রতিদিনের ১০ মিনিটের গোসলের জন্য এত বড় মেশিন দরকার কি না।

খরচ ও ব্যবহারযোগ্যতা এখনও প্রশ্নবিদ্ধ। তবুও, যেহেতু এটি জাপান,

যেখানে প্রযুক্তির সাথে কৌতূহলের মিশেল সবসময় মানুষকে টানে, তাই ভবিষ্যতে এই মানব ধোয়ার যন্ত্র অনেক বাড়িতে জায়গা করে নিতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাপানের তাক লাগানো প্রযুক্তি!

৪:১৮ এএম | ১৭ অক্টোবর ২০২৫ | শুক্রবার

জাপান আবারো তাক লাগানো এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে।

ওসাকা এক্সপো ২০২৫-এ তারা প্রদর্শন করেছে মানব ধোয়ার যন্ত্র বা আধুনিক গোসল পড।

যা মাত্র ১৫ মিনিটে শরীরকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে ফেলতে পারে, তাও কোনো হাত-পায়ের ঝামেলা ছাড়াই।

এই যন্ত্রটি ভবিষ্যতের গোসল অভিজ্ঞতা কী হতে পারে, তারই এক ঝলক দেখাচ্ছে।

এই যন্ত্রটি তৈরি করেছে ওসাকার শাওয়ারহেড নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সায়েন্স কোং। ১৯৭০ সালে ওসাকার প্রথম এক্সপোতে এমন একটি ধারণা প্রথম দেখা গিয়েছিল,

কিন্তু সময়ের সাথে সেটি হারিয়ে যায়। এবার সেটিকে আরো আধুনিক করে ফিরিয়ে এনেছে জাপান।

কিভাবে কাজ করে এই মেশিন?

এই গোসল মেশিনটি দেখতে একটি স্বচ্ছ ক্যাপসুলের মতো।

ভেতরে ঢুকে বসলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে শরীর ধুয়ে দেয় মাত্র ১৫ মিনিটে। মেশিনের নিচের অংশে গরম পানি ঘুরে বেড়ায়, আর উপরের অংশে হালকা কুয়াশা ছিটিয়ে দেয়।

এতে রয়েছে উন্নত সেন্সর ও এআই প্রযুক্তি, যা ব্যবহারকারীর হৃদস্পন্দন ও শরীরের তাপমাত্রা দেখে গোসলের পদ্ধতি ঠিক করে। বিশেষ মাইক্রো বুদবুদ দিয়ে ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করা হয়।

আরাম ও বিনোদন – দুটোই একসাথে

গোসলের সময় শুধু পরিষ্কারই নয়, ব্যবহারকারী শুনতে পারবেন হালকা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, সঙ্গে থাকছে স্ক্রিনে ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে।

আর গোসল শেষে শরীর এমনিতেই শুকনো, মানে তোয়ালের দরকার নেই।

কারা ব্যবহার করতে পারবে?

বর্তমানে এই মেশিন ওসাকা এক্সপো ২০২৫-এ প্রদর্শিত হচ্ছে, যেখানে প্রায় এক হাজার মানুষ এটি ব্যবহার করে দেখতে পারবেন।

ভবিষ্যতে মেশিনটির বাড়ির জন্য ব্যবহারযোগ্য সংস্করণ বাজারে আনা হতে পারে। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ, ব্যস্ত কর্মজীবী ও মানসিক চাপ কমাতে চান এমন ব্যক্তিদের জন্য।

তবে এখনো মূল্য ঘোষণা করা হয়নি। অনেকে ভাবছেন, প্রতিদিনের ১০ মিনিটের গোসলের জন্য এত বড় মেশিন দরকার কি না।

খরচ ও ব্যবহারযোগ্যতা এখনও প্রশ্নবিদ্ধ। তবুও, যেহেতু এটি জাপান,

যেখানে প্রযুক্তির সাথে কৌতূহলের মিশেল সবসময় মানুষকে টানে, তাই ভবিষ্যতে এই মানব ধোয়ার যন্ত্র অনেক বাড়িতে জায়গা করে নিতে পারে।