জ্বালানি সংকটে অফিস ৯টা-৪টা, দোকানপাট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ১:৩৪ এএম | ০৩ এপ্রিল ২০২৬ | শুক্রবার
জ্বালানি সংকটে অফিস ৯টা-৪টা, দোকানপাট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস এখন থেকে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত হবে। আগে যেখানে অফিস সময় ছিল বিকেল ৫টা পর্যন্ত, সেখানে এক ঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়েছে।

একই সঙ্গে দেশের সব দোকানপাট, শপিং মল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে বাংলাদেশ দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতি দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার ঘোষণা দিলেও সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা আরও কমিয়ে সন্ধ্যা ৬টা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে জরুরি সেবা খাত—যেমন হাসপাতাল, ফার্মেসি, হোটেল ও কাঁচাবাজার—এই সময়সীমার বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

সরকার মনে করছে, এই পদক্ষেপ দেশের জ্বালানি খাতে চাপ কমাবে এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি সংকটে অফিস ৯টা-৪টা, দোকানপাট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে

১:৩৪ এএম | ০৩ এপ্রিল ২০২৬ | শুক্রবার

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস এখন থেকে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত হবে। আগে যেখানে অফিস সময় ছিল বিকেল ৫টা পর্যন্ত, সেখানে এক ঘণ্টা কমিয়ে আনা হয়েছে।

একই সঙ্গে দেশের সব দোকানপাট, শপিং মল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে বাংলাদেশ দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতি দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার ঘোষণা দিলেও সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা আরও কমিয়ে সন্ধ্যা ৬টা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে জরুরি সেবা খাত—যেমন হাসপাতাল, ফার্মেসি, হোটেল ও কাঁচাবাজার—এই সময়সীমার বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

সরকার মনে করছে, এই পদক্ষেপ দেশের জ্বালানি খাতে চাপ কমাবে এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতা আনতে সহায়ক হবে।