প্লট দুর্নীতি, শেখ হাসিনা, জয়-পুতুলসহ আসামিদের বিরুদ্ধে ছয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ৭:০৬ পিএম | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | মঙ্গলবার
প্লট দুর্নীতি, শেখ হাসিনা, জয়-পুতুলসহ আসামিদের বিরুদ্ধে ছয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া তিনটি পৃথক মামলায় আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) আরও ছয়জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। মামলাগুলোর আসামিদের মধ্যে আছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ অন্যরা।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর খান মো. মঈনুল হাসান লিপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “আজ আদালতে ছয়জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। তবে আসামিরা পলাতক থাকায় জেরা সম্ভব হয়নি।” আদালত আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।

আজ যারা সাক্ষ্য দিয়েছেন তারা হলেন—সোনালী ব্যাংকের গণভবন শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার গৌতম কুমার সিকদার, প্রিন্সিপাল অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম, কর সার্কেলের প্রধান সহকারী মোহাম্মদ লুৎফর রহমান, কর সার্কেলের কম্পিউটার অপারেটর মো. রেজাউল হক, নোটিশ সার্ভার মো. আবু তাহের এবং অফিস সহায়ক দেলোয়ার হোসেন।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, গত ৩১ জুলাই আদালত এসব মামলায় অভিযোগ গঠন করেন। শুনানির সময় আসামিরা অনুপস্থিত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পৃথক মামলাগুলোর একটিতে শেখ রেহানা, টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, শেখ হাসিনাসহ ১৭ জন, আরেকটিতে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, শেখ হাসিনাসহ ১৮ জন এবং অপর মামলায় রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, শেখ হাসিনাসহ আরও ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে গত ২০ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এবং বিশেষ জজ আদালত-৫–এ মোট ছয়টি মামলা বিচারাধীন করার জন্য পাঠানো হয়, যার মধ্যে তিনটি মামলায় অভিযোগ গঠন হয়েছে।

এই মামলাগুলোর অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্লট দুর্নীতি, শেখ হাসিনা, জয়-পুতুলসহ আসামিদের বিরুদ্ধে ছয়জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

৭:০৬ পিএম | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | মঙ্গলবার

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া তিনটি পৃথক মামলায় আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) আরও ছয়জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। মামলাগুলোর আসামিদের মধ্যে আছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ অন্যরা।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর খান মো. মঈনুল হাসান লিপন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “আজ আদালতে ছয়জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। তবে আসামিরা পলাতক থাকায় জেরা সম্ভব হয়নি।” আদালত আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।

আজ যারা সাক্ষ্য দিয়েছেন তারা হলেন—সোনালী ব্যাংকের গণভবন শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার গৌতম কুমার সিকদার, প্রিন্সিপাল অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম, কর সার্কেলের প্রধান সহকারী মোহাম্মদ লুৎফর রহমান, কর সার্কেলের কম্পিউটার অপারেটর মো. রেজাউল হক, নোটিশ সার্ভার মো. আবু তাহের এবং অফিস সহায়ক দেলোয়ার হোসেন।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, গত ৩১ জুলাই আদালত এসব মামলায় অভিযোগ গঠন করেন। শুনানির সময় আসামিরা অনুপস্থিত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পৃথক মামলাগুলোর একটিতে শেখ রেহানা, টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, শেখ হাসিনাসহ ১৭ জন, আরেকটিতে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, শেখ হাসিনাসহ ১৮ জন এবং অপর মামলায় রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, শেখ হাসিনাসহ আরও ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে গত ২০ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এবং বিশেষ জজ আদালত-৫–এ মোট ছয়টি মামলা বিচারাধীন করার জন্য পাঠানো হয়, যার মধ্যে তিনটি মামলায় অভিযোগ গঠন হয়েছে।

এই মামলাগুলোর অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, সাবেক সদস্য সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, উপপরিচালক হাফিজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন।