খাগড়াছড়ি, ১৪৪ ধারা বলবৎ

- ১:৩০ পিএম | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রবিবার
খাগড়াছড়িতে এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
এর জেরে স্থানীয় সংগঠন জুম্ম ছাত্র-জনতা অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করলে শহরজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে।
অবরোধ চলাকালে বিভিন্ন সড়কে গাছ কেটে ব্যারিকেড সৃষ্টি, টায়ার জ্বালানো, দোকানপাট ভাঙচুর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
এ সময় পরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে এবং জনজীবনে ভোগান্তি নেমে আসে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা প্রশাসন খাগড়াছড়ি শহর ও আশপাশের এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করেছে।
এর ফলে চার বা ততোধিক মানুষের জমায়েত, মিছিল-সমাবেশ, মাইকিং, উস্কানিমূলক কার্যকলাপ এবং অস্ত্র বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, বিজিবি এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ বলছেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে তারা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।
তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
১৪৪ ধারা কী?
বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৪৪ ধারা অনুযায়ী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনশৃঙ্খলা বা শান্তি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে কোনো নির্দিষ্ট এলাকা বা ব্যক্তিকে নির্দেশ দিতে পারেন।
এর ফলে ওই এলাকায় সমাবেশ, মিছিল, সভা-সমিতি বা জনসমাগম আইনত নিষিদ্ধ হয়ে যায়।
বর্তমানে খাগড়াছড়ি জুড়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রশাসন পরিস্থিতি শান্ত রাখতে কড়া অবস্থানে রয়েছে।
তবে সাধারণ মানুষ শিগগিরই স্বাভাবিক জনজীবন ফিরে আসার প্রত্যাশা করছে।






















