ঝিনাইদহে ভ্যানচালক হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন

জেলা প্রতিনিধি
  • ১২:৩১ পিএম | ২৪ জুন ২০২৫ | মঙ্গলবার
ঝিনাইদহে ভ্যানচালক হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন

ঝিনাইদহ সদরের হামোদহ বিলে চাঞ্চল্যকর ভ্যানচালক রবিউল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৩ জুন) বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য্য এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মামুনুর রশীদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের মাজেদুল ওরফে মাজু, গোলাম রসুল, আজিজুল ও জাহিদুল।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১০ জানুয়ারি সদর উপজেলার বিষয়খালী গ্রামের ভ্যানচালক রবিউল ইসলামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় স্থানীয় কয়েকজন। এরপর একই বছরের চার এপ্রিল হামোদহ বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নিহতের ভাইকে মোবাইল ফোনে জানায় যে তার ভাইকে যারা ডেকে নিয়ে গিয়েছিল তারা তাকে হত্যার পরে হামোদহ বিলের মাটিতে পুঁতে রেখেছে। পরে নিহতের স্বজনরা পুলিশকে জানালে পুলিশ বিলের ঘাট থেকে মাটি খুঁড়ে রবিউল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করে।

ওই ঘটনায় মরদেহ উত্তোলনের দিনই নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সদর থানায় ১৪ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়। ওই মামলায় দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং বাকিদের খালাস প্রদান করেন।

মামলার বিষয়ে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এসএম মশিউর রহমান বলেন, চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের মামলায় দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কাঙ্ক্ষিত রায় হয়েছে। বাদীপক্ষ ন্যায়বিচার পেয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঝিনাইদহে ভ্যানচালক হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন

১২:৩১ পিএম | ২৪ জুন ২০২৫ | মঙ্গলবার

ঝিনাইদহ সদরের হামোদহ বিলে চাঞ্চল্যকর ভ্যানচালক রবিউল ইসলাম হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৩ জুন) বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য্য এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মামুনুর রশীদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের মাজেদুল ওরফে মাজু, গোলাম রসুল, আজিজুল ও জাহিদুল।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৬ সালের ১০ জানুয়ারি সদর উপজেলার বিষয়খালী গ্রামের ভ্যানচালক রবিউল ইসলামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় স্থানীয় কয়েকজন। এরপর একই বছরের চার এপ্রিল হামোদহ বিল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নিহতের ভাইকে মোবাইল ফোনে জানায় যে তার ভাইকে যারা ডেকে নিয়ে গিয়েছিল তারা তাকে হত্যার পরে হামোদহ বিলের মাটিতে পুঁতে রেখেছে। পরে নিহতের স্বজনরা পুলিশকে জানালে পুলিশ বিলের ঘাট থেকে মাটি খুঁড়ে রবিউল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করে।

ওই ঘটনায় মরদেহ উত্তোলনের দিনই নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সদর থানায় ১৪ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়। ওই মামলায় দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং বাকিদের খালাস প্রদান করেন।

মামলার বিষয়ে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এসএম মশিউর রহমান বলেন, চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের মামলায় দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কাঙ্ক্ষিত রায় হয়েছে। বাদীপক্ষ ন্যায়বিচার পেয়েছে।