মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দেশে ডলারের দাম বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ৬:৩৮ পিএম | ১০ মার্চ ২০২৬ | মঙ্গলবার
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দেশে ডলারের দাম বেড়েছে

বাংলাদেশে আবারও ডলারের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে

প্রবাসী আয়ের ডলার কেনার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো বেশি দাম দিচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে আমদানি ব্যয়ের ওপরও।

মঙ্গলবার (আজ) দেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের ডলার কিনছে প্রায় ১২২ টাকা ৯০ পয়সা দামে।

একই সঙ্গে আমদানির ক্ষেত্রে ডলারের দাম প্রায় ১২৩ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগেও আমদানির জন্য ব্যাংকগুলো ডলার বিক্রি করেছিল ১২২ টাকা ৫০ পয়সা দরে।

ব্যাংকিং খাতের সূত্রগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ফলে বিদেশি রেমিট্যান্স হাউসগুলো এখন আগের চেয়ে বেশি দামে ডলার অফার করছে। এর ফলে স্থানীয় ব্যাংকগুলোও প্রবাসী আয়ের ডলার কিনতে বেশি দাম দিচ্ছে।

একজন আমদানিকারক অভিযোগ করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে ব্যাংকগুলো ডলারের দাম বাড়িয়েছে।

এতে আমদানির খরচ দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে এবং এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তার ওপর পড়বে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ মুদ্রা বিনিময় হার প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত ৩ মার্চ ডলারের গড় মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৩৩ পয়সা,

যা এখন বেড়ে হয়েছে প্রায় ১২২ টাকা ৫৮ পয়সা। অর্থাৎ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ডলারের গড় দাম বাড়তে শুরু করেছে।

একটি বেসরকারি ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোকে জানানো হয়েছে যাতে ডলারের দাম ১২৩ টাকার বেশি না বাড়ে।

তবে আমদানি দায় পরিশোধের চাপ বাড়লে এবং ডলারের সরবরাহ কমে গেলে পরিস্থিতি আরও পরিবর্তিত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডলারের বাজারকে পুরোপুরি বাজারভিত্তিক করা হলে সরবরাহ বাড়তে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে বৈদেশিক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল হবে।

অন্যথায় আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে দেশের বাজারে পণ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি থাকবে।

বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

প্রয়োজনে রিজার্ভ থেকেও ডলার সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে দেশে ডলারের দাম বেড়েছে

৬:৩৮ পিএম | ১০ মার্চ ২০২৬ | মঙ্গলবার

বাংলাদেশে আবারও ডলারের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে

প্রবাসী আয়ের ডলার কেনার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো বেশি দাম দিচ্ছে। এর প্রভাব পড়েছে আমদানি ব্যয়ের ওপরও।

মঙ্গলবার (আজ) দেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের ডলার কিনছে প্রায় ১২২ টাকা ৯০ পয়সা দামে।

একই সঙ্গে আমদানির ক্ষেত্রে ডলারের দাম প্রায় ১২৩ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। মাত্র এক সপ্তাহ আগেও আমদানির জন্য ব্যাংকগুলো ডলার বিক্রি করেছিল ১২২ টাকা ৫০ পয়সা দরে।

ব্যাংকিং খাতের সূত্রগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ফলে বিদেশি রেমিট্যান্স হাউসগুলো এখন আগের চেয়ে বেশি দামে ডলার অফার করছে। এর ফলে স্থানীয় ব্যাংকগুলোও প্রবাসী আয়ের ডলার কিনতে বেশি দাম দিচ্ছে।

একজন আমদানিকারক অভিযোগ করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে ব্যাংকগুলো ডলারের দাম বাড়িয়েছে।

এতে আমদানির খরচ দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে এবং এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তার ওপর পড়বে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ মুদ্রা বিনিময় হার প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত ৩ মার্চ ডলারের গড় মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৩৩ পয়সা,

যা এখন বেড়ে হয়েছে প্রায় ১২২ টাকা ৫৮ পয়সা। অর্থাৎ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ডলারের গড় দাম বাড়তে শুরু করেছে।

একটি বেসরকারি ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোকে জানানো হয়েছে যাতে ডলারের দাম ১২৩ টাকার বেশি না বাড়ে।

তবে আমদানি দায় পরিশোধের চাপ বাড়লে এবং ডলারের সরবরাহ কমে গেলে পরিস্থিতি আরও পরিবর্তিত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডলারের বাজারকে পুরোপুরি বাজারভিত্তিক করা হলে সরবরাহ বাড়তে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে বৈদেশিক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল হবে।

অন্যথায় আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে দেশের বাজারে পণ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকি থাকবে।

বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

প্রয়োজনে রিজার্ভ থেকেও ডলার সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।