মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তিনি সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠ, ফজলুর রহমান শোকজ প্রসঙ্গে মাসুদ কামাল

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ১:২৬ পিএম | ২৭ আগস্ট ২০২৫ | বুধবার
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তিনি সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠ, ফজলুর রহমান শোকজ প্রসঙ্গে মাসুদ কামাল

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বর্তমানে বিএনপির মধ্যে সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠে কথা বলেন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। তিনি শুধু মুক্তিযোদ্ধা নন, মুক্তিযুদ্ধের ইস্যুতে আপসহীন এবং কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেন না। বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ইমেজ তুলে ধরার ক্ষেত্রে যে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, ফজলুর রহমান তাদের মধ্যে অন্যতম।

শোকজ নোটিশের প্রেক্ষিতে ফজলুর রহমানের জবাব এবং বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এসব মন্তব্য করেন মাসুদ কামাল।

তিনি বলেন, ফজলুর রহমানের বক্তব্য ছিল— এই আন্দোলনের পটভূমি তৈরি করেছিল বিএনপি। গত ১৫ বছর ধরে বিএনপি স্বৈরাচারবিরোধী মনোভাবকে ধীরে ধীরে মানুষের মধ্যে বপন করেছে। শেষ পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে সেটি চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সারজিস আলম যদি বলেন, আন্দোলনের ভ্যানগার্ড ছিল ছাত্রশিবির ও জামায়াত, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ফজলুর রহমানের প্রতিক্রিয়া সেভাবেই আসবে।

মাসুদ কামাল বলেন, ফজলুর রহমান যে শোকজ নোটিশের জবাব দিয়েছেন, সেটি কোনো আক্রমণাত্মক জবাব নয়; বরং আত্মপক্ষ সমর্থনের মধ্য দিয়ে দলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে বিএনপির সিদ্ধান্তকেও তিনি প্রশংসনীয় বলে অভিহিত করেন। তার মতে, বিএনপি সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং লঘু কারণে ফজলুর রহমানকে কোনো গুরুতর শাস্তি দেয়নি। সিদ্ধান্তের ভেতরে কোথাও স্পষ্ট করে বলা হয়নি, ফজলুর রহমানের কোন বক্তব্যে আপত্তি ছিল, বরং সামগ্রিকভাবে বিষয়টি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। ফলে উভয়পক্ষের অবস্থানই সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

সিনিয়র এই সাংবাদিক আরও বলেন, ফজলুর রহমানের বাসার সামনে গিয়ে মব তৈরি এবং বাড়াবাড়ি করার চেষ্টা হয়েছিল আসলে তাকে চাপে ফেলার জন্য। উদ্দেশ্য ছিল দল থেকে বের করে দেওয়া, গ্রেপ্তার বা জেলে পাঠানো। আসল বার্তাটা ছিল— মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বললে এই পরিণতিই হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি। বিএনপি সেই ফাঁদে পা দেয়নি এবং একটি সঠিক অবস্থান নিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তিনি সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠ, ফজলুর রহমান শোকজ প্রসঙ্গে মাসুদ কামাল

১:২৬ পিএম | ২৭ আগস্ট ২০২৫ | বুধবার

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বর্তমানে বিএনপির মধ্যে সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠে কথা বলেন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। তিনি শুধু মুক্তিযোদ্ধা নন, মুক্তিযুদ্ধের ইস্যুতে আপসহীন এবং কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেন না। বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ইমেজ তুলে ধরার ক্ষেত্রে যে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, ফজলুর রহমান তাদের মধ্যে অন্যতম।

শোকজ নোটিশের প্রেক্ষিতে ফজলুর রহমানের জবাব এবং বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এসব মন্তব্য করেন মাসুদ কামাল।

তিনি বলেন, ফজলুর রহমানের বক্তব্য ছিল— এই আন্দোলনের পটভূমি তৈরি করেছিল বিএনপি। গত ১৫ বছর ধরে বিএনপি স্বৈরাচারবিরোধী মনোভাবকে ধীরে ধীরে মানুষের মধ্যে বপন করেছে। শেষ পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে সেটি চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সারজিস আলম যদি বলেন, আন্দোলনের ভ্যানগার্ড ছিল ছাত্রশিবির ও জামায়াত, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ফজলুর রহমানের প্রতিক্রিয়া সেভাবেই আসবে।

মাসুদ কামাল বলেন, ফজলুর রহমান যে শোকজ নোটিশের জবাব দিয়েছেন, সেটি কোনো আক্রমণাত্মক জবাব নয়; বরং আত্মপক্ষ সমর্থনের মধ্য দিয়ে দলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন। একইসঙ্গে বিএনপির সিদ্ধান্তকেও তিনি প্রশংসনীয় বলে অভিহিত করেন। তার মতে, বিএনপি সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং লঘু কারণে ফজলুর রহমানকে কোনো গুরুতর শাস্তি দেয়নি। সিদ্ধান্তের ভেতরে কোথাও স্পষ্ট করে বলা হয়নি, ফজলুর রহমানের কোন বক্তব্যে আপত্তি ছিল, বরং সামগ্রিকভাবে বিষয়টি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। ফলে উভয়পক্ষের অবস্থানই সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

সিনিয়র এই সাংবাদিক আরও বলেন, ফজলুর রহমানের বাসার সামনে গিয়ে মব তৈরি এবং বাড়াবাড়ি করার চেষ্টা হয়েছিল আসলে তাকে চাপে ফেলার জন্য। উদ্দেশ্য ছিল দল থেকে বের করে দেওয়া, গ্রেপ্তার বা জেলে পাঠানো। আসল বার্তাটা ছিল— মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কথা বললে এই পরিণতিই হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি। বিএনপি সেই ফাঁদে পা দেয়নি এবং একটি সঠিক অবস্থান নিয়েছে।