শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার, তদন্তে কাস্টমস

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা
  • ৫:৪৮ পিএম | ০৭ আগস্ট ২০২৫ | বৃহস্পতিবার
শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার, তদন্তে কাস্টমস

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৮ কেজি ১২০ গ্রাম ওজনের ৭০টি স্বর্ণের বার জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জব্দকৃত স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ৯টার দিকে দোহা থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৩২৬ ফ্লাইটে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। কাস্টমস জানায়, বিমানটির সামনের কার্গো হোল্ডে কালো স্কচটেপে মোড়ানো ও কাপড়ে প্যাঁচানো অবস্থায় স্বর্ণের বারগুলো পরিত্যক্তভাবে উদ্ধার করা হয়।

অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার নাজমুন নাহার কায়সার ও সহকারী কমিশনার এস এম সরাফত হোসেন। ঢাকা কাস্টমস কমিশনার মুহম্মদ জাকির হোসেন বলেন, “দেশীয় অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে বৈদেশিক মুদ্রা পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশ কাস্টমস সর্বদা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।” উদ্ধার করা স্বর্ণ যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এ ঘটনায় কাস্টমস আইন-২০২৩ ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিভাবে এত বড় পরিমাণ স্বর্ণ কার্গো হোল্ডে প্রবেশ করলো এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা উদঘাটনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার, তদন্তে কাস্টমস

৫:৪৮ পিএম | ০৭ আগস্ট ২০২৫ | বৃহস্পতিবার

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৮ কেজি ১২০ গ্রাম ওজনের ৭০টি স্বর্ণের বার জব্দ করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জব্দকৃত স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ৯টার দিকে দোহা থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৩২৬ ফ্লাইটে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। কাস্টমস জানায়, বিমানটির সামনের কার্গো হোল্ডে কালো স্কচটেপে মোড়ানো ও কাপড়ে প্যাঁচানো অবস্থায় স্বর্ণের বারগুলো পরিত্যক্তভাবে উদ্ধার করা হয়।

অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার নাজমুন নাহার কায়সার ও সহকারী কমিশনার এস এম সরাফত হোসেন। ঢাকা কাস্টমস কমিশনার মুহম্মদ জাকির হোসেন বলেন, “দেশীয় অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে বৈদেশিক মুদ্রা পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশ কাস্টমস সর্বদা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।” উদ্ধার করা স্বর্ণ যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এ ঘটনায় কাস্টমস আইন-২০২৩ ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিভাবে এত বড় পরিমাণ স্বর্ণ কার্গো হোল্ডে প্রবেশ করলো এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা উদঘাটনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।