জামায়াতকে ভোট দিলে বাপের নাম গোলাম আজম লিখতে হবে

সাব্বির হোসেন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
  • ৩:০৯ এএম | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | শনিবার
জামায়াতকে ভোট দিলে বাপের নাম গোলাম আজম লিখতে হবে

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগের কেউ জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিয়ে থাকলে তাঁর ‘বাপের নাম গোলাম আজম’ লিখতে হবে। সম্প্রতি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত এক গণসমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে ফজলুর রহমান কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচিত হন।

সমাবেশে ফজলুর রহমান বলেন, “যদি আওয়ামী লীগের কেউ জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিয়ে থাকে—যারা আওয়ামী লীগ করেন, কথায় কথায় মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর কথা বলেন—তাদের কেউ যদি জামায়াতকে ভোট দিয়ে থাকেন, তাহলে তাদের বাপের নাম গোলাম আজম লিখতে হবে।”

গোপদিঘী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন করেন, নিজেদের দল নির্বাচনে অংশ না নিলেও তাঁদের কেউ কেন জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়েছেন। ফজলুর রহমানের ভাষ্য, কাউকে ভোট দিতে না চাইলে তাঁরা ভোটদান থেকে বিরত থাকতে পারতেন।

বক্তব্যে জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান ও নারীদের বিষয়ে দলটির দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেন ফজলুর রহমান। জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের কথাও তোলেন তিনি। তবে বক্তব্যে উল্লেখ করা অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো প্রমাণ দেওয়া হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদকের পাঠানো তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ধর্মীয় মতাদর্শ নিয়েও জামায়াতের সঙ্গে নিজের মতপার্থক্যের কথা তুলে ধরেন ফজলুর রহমান। এ প্রসঙ্গে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মর্যাদা সম্পর্কে নিজের বিশ্বাসের কথা বলেন তিনি।

গণসমাবেশে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখাসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জামায়াতকে ভোট দিলে বাপের নাম গোলাম আজম লিখতে হবে

৩:০৯ এএম | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | শনিবার

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগের কেউ জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিয়ে থাকলে তাঁর ‘বাপের নাম গোলাম আজম’ লিখতে হবে। সম্প্রতি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত এক গণসমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে ফজলুর রহমান কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচিত হন।

সমাবেশে ফজলুর রহমান বলেন, “যদি আওয়ামী লীগের কেউ জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিয়ে থাকে—যারা আওয়ামী লীগ করেন, কথায় কথায় মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর কথা বলেন—তাদের কেউ যদি জামায়াতকে ভোট দিয়ে থাকেন, তাহলে তাদের বাপের নাম গোলাম আজম লিখতে হবে।”

গোপদিঘী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন করেন, নিজেদের দল নির্বাচনে অংশ না নিলেও তাঁদের কেউ কেন জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়েছেন। ফজলুর রহমানের ভাষ্য, কাউকে ভোট দিতে না চাইলে তাঁরা ভোটদান থেকে বিরত থাকতে পারতেন।

বক্তব্যে জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান ও নারীদের বিষয়ে দলটির দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেন ফজলুর রহমান। জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের কথাও তোলেন তিনি। তবে বক্তব্যে উল্লেখ করা অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো প্রমাণ দেওয়া হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদকের পাঠানো তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ধর্মীয় মতাদর্শ নিয়েও জামায়াতের সঙ্গে নিজের মতপার্থক্যের কথা তুলে ধরেন ফজলুর রহমান। এ প্রসঙ্গে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মর্যাদা সম্পর্কে নিজের বিশ্বাসের কথা বলেন তিনি।

গণসমাবেশে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখাসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।