চরফ্যাশনে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী বরিশাল থেকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

ভোলা প্রতিনিধি
  • ২:৫৫ এএম | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | শনিবার
চরফ্যাশনে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী বরিশাল থেকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

ভোলার চরফ্যাশনে নিখোঁজ হওয়া দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বরিশাল নগরী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিক্ষার্থীর পরিচয় সুরক্ষার জন্য তার নাম ও বিদ্যালয়ের তথ্য প্রকাশ করা হলো না।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল নগরীর কোতোয়ালি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চুন্নু সিকদার (৫৫), মনির ব্যাপারী (৩৫) ও মাইনুল হাজারী ওরফে নুরে আলম (৪২)।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ওই শিক্ষার্থীকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে শশীভূষণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও অন্যান্য সূত্রের সহায়তায় শিক্ষার্থীর অবস্থান শনাক্ত করে তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে অপহরণের পর ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগও সামনে এসেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অভিযোগগুলো এখনো তদন্তাধীন।
এদিকে গ্রেপ্তার মাইনুল হাজারীর ভাতিজা কাইয়ুম অপহরণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, মামলার প্রধান আসামি সিয়ামের সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল এবং তাঁকে জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়নি।
শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মো. সিয়ামসহ পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চরফ্যাশনে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী বরিশাল থেকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

২:৫৫ এএম | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | শনিবার

ভোলার চরফ্যাশনে নিখোঁজ হওয়া দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বরিশাল নগরী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় করা মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিক্ষার্থীর পরিচয় সুরক্ষার জন্য তার নাম ও বিদ্যালয়ের তথ্য প্রকাশ করা হলো না।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল নগরীর কোতোয়ালি থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চুন্নু সিকদার (৫৫), মনির ব্যাপারী (৩৫) ও মাইনুল হাজারী ওরফে নুরে আলম (৪২)।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে ওই শিক্ষার্থীকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে শশীভূষণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, তথ্যপ্রযুক্তি ও অন্যান্য সূত্রের সহায়তায় শিক্ষার্থীর অবস্থান শনাক্ত করে তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে অপহরণের পর ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগও সামনে এসেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অভিযোগগুলো এখনো তদন্তাধীন।
এদিকে গ্রেপ্তার মাইনুল হাজারীর ভাতিজা কাইয়ুম অপহরণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, মামলার প্রধান আসামি সিয়ামের সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল এবং তাঁকে জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়নি।
শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মো. সিয়ামসহ পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।