যুদ্ধবিরতি দিলেন ই/স/রা/য়েল গা/জা/য় খুশির জোয়ার

- ১:৫৭ এএম | ১১ অক্টোবর ২০২৫ | শনিবার
দুই বছর ধরে যুদ্ধের আগুন আর ধ্বংসযজ্ঞে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে গাজা — হাজার হাজার ঘর, স্কুল, হাসপাতালে আগুন, ধ্বংস, আর অপার মানবিক দুঃরূপ। লাখ লাখ মানুষ ঘরছাড়া, অনাহারে, আশ্রয়হীন।
আলো-আলোতে ঘুরতে থাকল শান্তির বার্তা — মধ্যস্থতায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার বললেন, সময় এসেছে যুদ্ধ বন্ধ করার, যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনলেন তাঁর ২০-ধাপের পরিকল্পনায়।
তুমিই বলো — সময় আর আগুনে কি আর সহ্য? যুদ্ধবিরতির চক্রান্ত আজকার আলোচনায় রূপ নিতে চলেছে।”
দৃশ্য ৩: (বিস্ময় ও উত্তেজনা; খুশির ঢেউ শুরু)
ইতিহাসের এক সন্ধ্যায় ঘোষণা আসে: ইসরায়েল ও হামাস প্রথম ধাপে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সায় দেয়।
চুক্তিতে বলা হয় — যুদ্ধ বন্ধ, বন্দিদের মুক্তি, ইসরায়েল সেনা গাজা থেকে নির্ধারিত সীমান্তে সরে যাবে।
এই ঘোষণা হয় ট্রাম্পের সামাজিক মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে — Israel and Hamas signed off on first phase of Gaza deal.
খুশির জোয়ারে ভেসে ওঠে গাজা ও তেলেরবন্দর — রাস্তায় নেমে আসে আনন্দসমাবেশ।
তবে চুক্তি এই মাত্র শুরু — এক ধাপ মাত্র। উত্তরণের পথ এখনও দীর্ঘ। বন্দি-মুক্তি, সীমান্ত নির্ধারণ, গাজার ভবিষ্যৎ প্রশাসন, এবং হামাসকে অস্ত্র ত্যাগ করতে বলার বিষয়গুলি এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
প্রধান মন্ত্রী নেথানিয়াহু সরকারের অনুমোদন চাইছে, এবং দুই পক্ষকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব নিতে হবে।
বিশ্ব দেখছে — এই যুদ্ধবিরতি কি সত্যিকার অর্থে শান্তির পথে প্রবেশদ্বার হবে?
কী আজকের এই নীরবতা জীবনের নীরবতা হতে পারে? হোক শান্তির মিছিলে এই সকালের শুরু।
গাজা ও ইস্রায়েলে আজ ফিরে এসেছে আশা — যুদ্ধবিরতির খবরে মানুষের চোখে জল mixed আলো। হাসি ফেরে মানুষের মুখে, প্রাণে নতুন শক্তি জাগে।
এটা শুধু যুদ্ধবিরতি নয়, এটা আশার সংকেত — যে যুদ্ধের অন্ধকার কাটিয়ে হারানো শান্তি ফিরে আসতে পারে।
শুধু যুদ্ধবিরতির ঘোষণা নয়, পথ তৈরি করতে হবে — শান্তির ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে।
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মধ্যস্থতায় যারা ভূমিকা নিয়েছেন — তাদের অংশীদারিত্ব আজ আলোচনায়।
চলুন — প্রত্যেক মানুষ আজ বলুক:
আমরা চাই শান্তি, চাই মানুষরে অবাধ বাঁচার অধিকার।






















