২ ঘণ্টায় থাইল্যান্ড ই-ভিসা! নাকি প্রতারণার ফাঁদ ?

Dhaka Press
  • ৭:১২ পিএম | ০১ নভেম্বর ২০২৫ | শনিবার
২ ঘণ্টায় থাইল্যান্ড ই-ভিসা! নাকি প্রতারণার ফাঁদ ?

সম্প্রতি অনলাইনে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ফ্রড এজেন্সি “দুই ঘণ্টায় থাইল্যান্ড ই-ভিসা” দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

তারা নিজেদেরকে “অফিসিয়াল চ্যানেল” বা “এম্বাসির কনট্রাক্ট এজেন্ট” বলে দাবি করলেও, বাস্তবে এসব সংস্থা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনো অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান নয়। কীভাবে চলছে প্রতারণা

কিছু ভুয়া এজেন্সি বা ব্যক্তিগত গ্রুপ নিজেদের বিদেশি ঠিকানা দেখিয়ে

(যেমন: অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ইত্যাদি) (থাইল্যান্ড) (কম্বোডিয়া) দাবি করছে যে তারা সরাসরি ঢাকাস্থ থাই এম্বাসির মাধ্যমে ২ ঘণ্টায় ভিসা দিতে পারে।

তারা সাধারণত দুটি প্যাকেজ অফার করে থাকে: ট্যুরিস্ট ভিসা (৩ মাস মেয়াদ) — ৩৫,০০০ টাকা

ডেস্টিনেশন থাইল্যান্ড ভিসা (৫ বছর মেয়াদ) — ৯০,০০০ টাকা

প্রথমে অল্প টাকা (যেমন ৫,০০০ বা ২০,০০০ টাকা) অগ্রিম নেওয়া হয়, পরে বাকিটা দেওয়ার শর্তে গ্রাহককে ফাঁদে ফেলা হয়।

অনেক সময় ভিসা না দিয়েই তারা গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ করে।

থাই এম্বাসির অফিসিয়াল নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন এটি সন্দেহজনক

ই-ভিসা বা স্টিকার ভিসা ইস্যু করতে কমপক্ষে ৩-৫ কার্যদিবস সময় লাগে।

কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দুই ঘণ্টায় এম্বাসির অনুমোদন ছাড়াই ভিসা ইস্যু করতে পারে না।

ভিসা প্রক্রিয়া শুধুমাত্র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা অনুমোদিত এজেন্ট এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

অতএব, কেউ যদি বলে “আমরা এম্বাসির মাধ্যমে সরাসরি দুই ঘণ্টায় ভিসা দিই

কীভাবে নিরাপদ থাকবেন তাহলে সেটি নিঃসন্দেহে প্রতারণার ইঙ্গিত বহন করে।

সর্বদা থাই এম্বাসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা তাদের ঘোষিত অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমেই আবেদন করুন।

কখনোই অপরিচিত এজেন্সি বা সোশ্যাল মিডিয়ার বিজ্ঞাপন দেখে টাকা পাঠাবেন না।

ভিসা প্রসেসিং শুরু হওয়ার আগে এম্বাসির নাম, রিসিপ্ট, ও রেফারেন্স নম্বর যাচাই করুন।

আগে ভিসা পরে টাকা বা দুই ঘণ্টায় ভিসা — এই ধরনের অফার দেখলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হোন।

বিদেশে যাওয়া, কাজ করা বা ভ্রমণের স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের আগে সঠিক তথ্য জানা জরুরি।

কিছু অসাধু ব্যক্তি বা এজেন্সি মানুষের এই স্বপ্নকেই পুঁজি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

তাই নিজেকে এবং আপনার প্রিয়জনকে প্রতারণা থেকে রক্ষা করুন — যাচাই করে তবেই ভিসা প্রক্রিয়ায় অংশ নিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

২ ঘণ্টায় থাইল্যান্ড ই-ভিসা! নাকি প্রতারণার ফাঁদ ?

৭:১২ পিএম | ০১ নভেম্বর ২০২৫ | শনিবার

সম্প্রতি অনলাইনে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ফ্রড এজেন্সি “দুই ঘণ্টায় থাইল্যান্ড ই-ভিসা” দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

তারা নিজেদেরকে “অফিসিয়াল চ্যানেল” বা “এম্বাসির কনট্রাক্ট এজেন্ট” বলে দাবি করলেও, বাস্তবে এসব সংস্থা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনো অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান নয়। কীভাবে চলছে প্রতারণা

কিছু ভুয়া এজেন্সি বা ব্যক্তিগত গ্রুপ নিজেদের বিদেশি ঠিকানা দেখিয়ে

(যেমন: অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ইত্যাদি) (থাইল্যান্ড) (কম্বোডিয়া) দাবি করছে যে তারা সরাসরি ঢাকাস্থ থাই এম্বাসির মাধ্যমে ২ ঘণ্টায় ভিসা দিতে পারে।

তারা সাধারণত দুটি প্যাকেজ অফার করে থাকে: ট্যুরিস্ট ভিসা (৩ মাস মেয়াদ) — ৩৫,০০০ টাকা

ডেস্টিনেশন থাইল্যান্ড ভিসা (৫ বছর মেয়াদ) — ৯০,০০০ টাকা

প্রথমে অল্প টাকা (যেমন ৫,০০০ বা ২০,০০০ টাকা) অগ্রিম নেওয়া হয়, পরে বাকিটা দেওয়ার শর্তে গ্রাহককে ফাঁদে ফেলা হয়।

অনেক সময় ভিসা না দিয়েই তারা গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ করে।

থাই এম্বাসির অফিসিয়াল নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন এটি সন্দেহজনক

ই-ভিসা বা স্টিকার ভিসা ইস্যু করতে কমপক্ষে ৩-৫ কার্যদিবস সময় লাগে।

কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দুই ঘণ্টায় এম্বাসির অনুমোদন ছাড়াই ভিসা ইস্যু করতে পারে না।

ভিসা প্রক্রিয়া শুধুমাত্র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা অনুমোদিত এজেন্ট এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

অতএব, কেউ যদি বলে “আমরা এম্বাসির মাধ্যমে সরাসরি দুই ঘণ্টায় ভিসা দিই

কীভাবে নিরাপদ থাকবেন তাহলে সেটি নিঃসন্দেহে প্রতারণার ইঙ্গিত বহন করে।

সর্বদা থাই এম্বাসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা তাদের ঘোষিত অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমেই আবেদন করুন।

কখনোই অপরিচিত এজেন্সি বা সোশ্যাল মিডিয়ার বিজ্ঞাপন দেখে টাকা পাঠাবেন না।

ভিসা প্রসেসিং শুরু হওয়ার আগে এম্বাসির নাম, রিসিপ্ট, ও রেফারেন্স নম্বর যাচাই করুন।

আগে ভিসা পরে টাকা বা দুই ঘণ্টায় ভিসা — এই ধরনের অফার দেখলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হোন।

বিদেশে যাওয়া, কাজ করা বা ভ্রমণের স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের আগে সঠিক তথ্য জানা জরুরি।

কিছু অসাধু ব্যক্তি বা এজেন্সি মানুষের এই স্বপ্নকেই পুঁজি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

তাই নিজেকে এবং আপনার প্রিয়জনকে প্রতারণা থেকে রক্ষা করুন — যাচাই করে তবেই ভিসা প্রক্রিয়ায় অংশ নিন।