০৩:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫

খিঁচুনি কেন হয়, আক্রান্ত হলে কী করবেন?

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৫ বার পড়া হয়েছে

খিঁচুনি হলো মাংসপেশির অনিয়ন্ত্রিত সংকোচন, যা কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে পাঁচ মিনিটের বেশি খিঁচুনি হলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

খিঁচুনির কারণ:

  • জ্বর: বিশেষ করে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে জ্বরের সময় খিঁচুনি হতে পারে।
  • মস্তিষ্কের সংক্রমণ: মেনিনজাইটিস, এনকেফালাইটিস ইত্যাদি।
  • বিপাকীয় সমস্যা: রক্তে গ্লুকোজের অভাব (হাইপোগ্লাইসেমিয়া), ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা।
  • মস্তিষ্কের আঘাত: আঘাত, টিউমার, স্ট্রোক।
  • মৃগীরোগ: মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপের অস্বাভাবিকতা।
  • কিছু রাসায়নিক বা ওষুধের প্রতিক্রিয়া।

খিঁচুনির লক্ষণ:

  • মাংসপেশির অনিয়ন্ত্রিত সংকোচন বা ঝাঁকুনি।
  • জ্ঞান হারানো বা চেতনা হ্রাস।
  • চোখ উল্টানো।
  • মুখ থেকে লালা বের হওয়া।
  • প্রস্রাব বা পায়খানা অনিয়ন্ত্রণ।
  • জিভে কামড় লাগা।
  • অস্বাভাবিক আচরণ বা বিভ্রান্তি।

খিঁচুনি হলে করণীয়:

  • রোগীকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।
  • গলার টাই বা নেকলেস ঢিলো করে দিন।
  • রোগীকে একপাশে কাত করে শুইয়ে দিন।
  • মুখে কিছু জমে থাকলে পরিষ্কার করুন।
  • রোগীকে শান্ত করার চেষ্টা করুন।
  • পাঁচ মিনিটের বেশি খিঁচুনি হলে বা রোগীর শ্বাস নিতে সমস্যা হলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

প্রতিরোধের উপায়:

  • পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম।
  • নিয়মিত ওষুধ সেবন।
  • সুষম খাদ্য গ্রহণ।
  • রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ।
  • খিঁচুনি সৃষ্টিকারী কারণগুলো এড়িয়ে চলা।
  • নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:

  • খিঁচুনি হলে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকুন এবং রোগীকে নিরাপদে রাখুন।
  • কখনোই রোগীর মুখে কিছু ঢোকানোর চেষ্টা করবেন না।
  • খিঁচুনি বন্ধ হওয়ার পর রোগীকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় দিন।
  • খিঁচুনির কারণ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

খিঁচুনি কেন হয়, আক্রান্ত হলে কী করবেন?

আপডেট সময় ১০:৩৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

খিঁচুনি হলো মাংসপেশির অনিয়ন্ত্রিত সংকোচন, যা কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে পাঁচ মিনিটের বেশি খিঁচুনি হলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

খিঁচুনির কারণ:

  • জ্বর: বিশেষ করে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে জ্বরের সময় খিঁচুনি হতে পারে।
  • মস্তিষ্কের সংক্রমণ: মেনিনজাইটিস, এনকেফালাইটিস ইত্যাদি।
  • বিপাকীয় সমস্যা: রক্তে গ্লুকোজের অভাব (হাইপোগ্লাইসেমিয়া), ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা।
  • মস্তিষ্কের আঘাত: আঘাত, টিউমার, স্ট্রোক।
  • মৃগীরোগ: মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপের অস্বাভাবিকতা।
  • কিছু রাসায়নিক বা ওষুধের প্রতিক্রিয়া।

খিঁচুনির লক্ষণ:

  • মাংসপেশির অনিয়ন্ত্রিত সংকোচন বা ঝাঁকুনি।
  • জ্ঞান হারানো বা চেতনা হ্রাস।
  • চোখ উল্টানো।
  • মুখ থেকে লালা বের হওয়া।
  • প্রস্রাব বা পায়খানা অনিয়ন্ত্রণ।
  • জিভে কামড় লাগা।
  • অস্বাভাবিক আচরণ বা বিভ্রান্তি।

খিঁচুনি হলে করণীয়:

  • রোগীকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।
  • গলার টাই বা নেকলেস ঢিলো করে দিন।
  • রোগীকে একপাশে কাত করে শুইয়ে দিন।
  • মুখে কিছু জমে থাকলে পরিষ্কার করুন।
  • রোগীকে শান্ত করার চেষ্টা করুন।
  • পাঁচ মিনিটের বেশি খিঁচুনি হলে বা রোগীর শ্বাস নিতে সমস্যা হলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

প্রতিরোধের উপায়:

  • পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম।
  • নিয়মিত ওষুধ সেবন।
  • সুষম খাদ্য গ্রহণ।
  • রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ।
  • খিঁচুনি সৃষ্টিকারী কারণগুলো এড়িয়ে চলা।
  • নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:

  • খিঁচুনি হলে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকুন এবং রোগীকে নিরাপদে রাখুন।
  • কখনোই রোগীর মুখে কিছু ঢোকানোর চেষ্টা করবেন না।
  • খিঁচুনি বন্ধ হওয়ার পর রোগীকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় দিন।
  • খিঁচুনির কারণ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন।