০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫

অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাক: কারণ ও প্রতিরোধের উপায়

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৪২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৪ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি ২৩ বছর বয়সী এক ছাত্র বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন। ইসিজি করে দেখা যায়, তার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাক অবাক করার মতো ঘটনা হলেও, এটি এখন ক্রমবর্ধমান একটি সমস্যা।

অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের কারণ:

  • অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা:
    • ধূমপান: ধূমপান রক্তনালীতে ক্ষত সৃষ্টি করে এবং চর্বি জমার প্রবণতা বাড়ায়।
    • মাদকাসক্তি: কোকেন, ইয়াবা, গাঁজা, ইত্যাদি মাদক হার্টের রক্তনালীর ক্ষতি করে এবং হৃদস্পন্দন অনিয়মিত করে।
    • মানসিক চাপ: অতিরিক্ত মানসিক চাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
    • স্থূলতা: অতিরিক্ত ওজন উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরলসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
    • অপর্যাপ্ত ঘুম: পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে।
    • অলস জীবনযাপন: নিয়মিত শরীরচর্চার অভাবে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।
    • অস্বাস্থ্যকর খাবার: বাইরের ফাস্টফুড, চর্বিযুক্ত খাবার, অতিরিক্ত লবণ ও চিনিযুক্ত খাবার রক্তনালীতে চর্বি জমিয়ে হার্টের ক্ষতি করে।
  • বংশগত কারণ:
    • পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে।

প্রতিরোধের উপায়:

  • ধূমপান ও মাদকদ্রব্য পরিহার করতে হবে।
  • নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
  • স্বাস্থ্যকর খাবার, যেমন ফলমূল, শাকসবজি ও মাছ খেতে হবে এবং চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে।
  • পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে।
  • ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
  • মানসিক চাপ কমাতে মেডিটেশন করা যেতে পারে।

সচেতনতা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাক: কারণ ও প্রতিরোধের উপায়

আপডেট সময় ১০:৪২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

সম্প্রতি ২৩ বছর বয়সী এক ছাত্র বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আসেন। ইসিজি করে দেখা যায়, তার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাক অবাক করার মতো ঘটনা হলেও, এটি এখন ক্রমবর্ধমান একটি সমস্যা।

অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের কারণ:

  • অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা:
    • ধূমপান: ধূমপান রক্তনালীতে ক্ষত সৃষ্টি করে এবং চর্বি জমার প্রবণতা বাড়ায়।
    • মাদকাসক্তি: কোকেন, ইয়াবা, গাঁজা, ইত্যাদি মাদক হার্টের রক্তনালীর ক্ষতি করে এবং হৃদস্পন্দন অনিয়মিত করে।
    • মানসিক চাপ: অতিরিক্ত মানসিক চাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
    • স্থূলতা: অতিরিক্ত ওজন উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরলসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
    • অপর্যাপ্ত ঘুম: পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে।
    • অলস জীবনযাপন: নিয়মিত শরীরচর্চার অভাবে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।
    • অস্বাস্থ্যকর খাবার: বাইরের ফাস্টফুড, চর্বিযুক্ত খাবার, অতিরিক্ত লবণ ও চিনিযুক্ত খাবার রক্তনালীতে চর্বি জমিয়ে হার্টের ক্ষতি করে।
  • বংশগত কারণ:
    • পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে।

প্রতিরোধের উপায়:

  • ধূমপান ও মাদকদ্রব্য পরিহার করতে হবে।
  • নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
  • স্বাস্থ্যকর খাবার, যেমন ফলমূল, শাকসবজি ও মাছ খেতে হবে এবং চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে।
  • পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে।
  • ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
  • মানসিক চাপ কমাতে মেডিটেশন করা যেতে পারে।

সচেতনতা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।